মোদির আশ্বাসের পর অনশন ভাঙলেন সোনম ওয়াংচুক

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৯:২৬ পূর্বাহ্ন, ২৪ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ৯:২৬ পূর্বাহ্ন, ২৪ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আশ্বাসের পর ২৭ দিনের অনশন কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন পরিবেশকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। শুক্রবার গভীর রাতে গুরুগ্রামের মেদান্ত হাসপাতালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জগৎ প্রকাশ (জে পি) নড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংহের উপস্থিতিতে তিনি অনশন ভঙ্গ করেন।

এর আগে রাত ১১টা ৫৩ মিনিটে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় আরও কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস কোনো সাধারণ অপরাধ নয়; এটি লাখো শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জন্য গভীর উদ্বেগ ও কষ্টের কারণ।

আরও পড়ুন: টানা ১৩তম রাতে ইরানে মার্কিন হামলা, কঠোর প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি ইরানের

মোদি জানান, গত আড়াই মাসে সরকার অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। শিক্ষার্থীদের একটি শিক্ষাবর্ষ নষ্ট না হয়, সে জন্য পুনরায় পরীক্ষা আয়োজন করা হয়েছে, যাতে প্রায় ২২ লাখ পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, সরকার শুধু এতেই সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না। অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠনের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। পাশাপাশি সংসদের চলতি অধিবেশনেই এ-সংক্রান্ত বিল পাসের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন শুল্ক আরোপ করছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাসপাতালের শয্যায় বসেই অনশন ভাঙেন সোনম ওয়াংচুক। এ সময় তার স্ত্রী গীতাঞ্জলি জৈন আংমো, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংহ উপস্থিত ছিলেন। অনশন প্রত্যাহারের পর উপস্থিত ব্যক্তিরা তাকে উত্তরীয় পরিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় ওয়াংচুকের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তিনি চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে সুস্থ হয়ে ওঠার আহ্বান জানান।

নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিবাদে আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে গত ২৮ জুন দিল্লির যন্তর মন্তরে অনির্দিষ্টকালের অনশন শুরু করেছিলেন সোনম ওয়াংচুক। আন্দোলনকারীদের অন্যতম দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ। তার এই অনশন আন্দোলনকে নতুন গতি দেয়।