রামিসা হত্যা মামলা

নিজেকে নির্দোষ দাবি স্বপ্নার, আদালতে ক্ষমা চাইলেন সোহেল

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ২:৫৭ অপরাহ্ন, ০৩ জুন ২০২৬ | আপডেট: ২:৫৭ অপরাহ্ন, ০৩ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার হত্যা মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনের সময় নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন আসামি স্বপ্না আক্তার। অন্যদিকে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।

বুধবার (৩ জুন) ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে মামলার শুনানিকালে দুই আসামির আত্মপক্ষ সমর্থন গ্রহণ করা হয়।

আরও পড়ুন: আদালতের বাইরে কথা বলা-প্রচারণায় কড়া নির্দেশনা

এদিন কারাগার থেকে সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে আদালতে হাজির করা হয়। সকাল ১১টা ১০ মিনিটে বিচারক এজলাসে উঠে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এবং মামলার সাক্ষীদের জবানবন্দির সারসংক্ষেপ পড়ে শোনান।

বিচারক আসামিদের কাছে জানতে চান তারা নিজেদের দোষী নাকি নির্দোষ মনে করেন। জবাবে স্বপ্না আক্তার বলেন, তিনি কোনো অপরাধ করেননি এবং নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করেন।

আরও পড়ুন: আদালতে এসে ন্যায়বিচার চাইলেন রামিসার বাবা

অপরদিকে সোহেল রানা নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং খালাস চান। শুনানি শেষে আদালত আগামী বৃহস্পতিবার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ১ জুন মামলার বাদী আব্দুল হান্নান মোল্লাসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়। পরদিন ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ট্রাইব্যুনাল সাক্ষ্য গ্রহণ কার্যক্রম সমাপ্ত ঘোষণা করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান গত ২৪ মে সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তার গত ১৯ মে সকালে নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে একটি ফ্ল্যাটের কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর স্বপ্না আক্তারকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয় এবং পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয় এবং বর্তমানে মামলাটির বিচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।