পায়রা-বাঁশখালী বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হলেও আশার আলো রামপাল

Shakil
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৯:২৩ পূর্বাহ্ন, ১০ জুন ২০২৩ | আপডেট: ৭:৫২ পূর্বাহ্ন, ১০ জুন ২০২৩
(no caption)
(no caption)

পটুয়াখালীর পায়রা ও চট্টগ্রামের বাঁশখালী কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধের মত দুঃসংবাদের মধ্যেও আশার আলোতে রয়েছে বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।

শনিবার (১০ জুন) ভোর ৫টায় রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কয়লা নিয়ে ইন্দোনেশিয়া থেকে ছেড়ে আসা চীনের পতাকাবাহী জাহাজ এমভিজে হ্যায় মোংলা বন্দরের হাড়বাড়িয়ায় ভিড়েছে।

আরও পড়ুন: পাম্পে ঘুরেও তেল পাচ্ছেন না এমপিরা, সংসদে ক্ষোভ

বিদেশি জাহাজ ‘জে হ্যায়’র স্থানীয় শিপিং এজেন্ট ‘টগি শিপিং অ্যান্ড লজিস্টিক লিমিটেড’র খুলনার সহকারী ব্যবস্থাপক খন্দকার রিয়াজুল হক জানান, রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৬ হাজার ৬শ ২০ মেট্টিক টন জ্বালানি কয়লা নিয়ে চায়না পতাকাবাহী জাহাজ এমভিজে হ্যায় গত ২১ মে মোংলা বন্দরের উদ্দেশ্যে ইন্দোনেশিয়া থেকে ছেড়ে আসে। ইন্দোনেশিয়া থেকে ছেড়ে আসার ১৯ দিনের মাথায় জাহাজটি শুক্রবার রাতে মোংলা বন্দরের ফেয়ারওয়ে বয়ায় এসে পৌঁছায়।

এরপর সেখান থেকে জাহাজটি শনিবার ভোর ৫টার দিকে বন্দরের পশুর চ্যানেলের হাড়বাড়িয়ার-১১ নম্বর অ্যাংকোরেজে ভিড়েছে। জাহাজটি ভিড়ার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়েছে কয়লা খালাস ও পরিবহনের কাজ। খালাসকৃত কয়লা পরিবহন (লাইটারেজ/নৌযান) করে নেওয়া হচ্ছে রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেটিতে। জেটির নিজস্ব গ্রাস্পের (কামড়িকল) মাধ্যমে পরিবহনের (নৌযান/লাইটারেজ থেকে) কয়লা উত্তোলন করে স্বয়ংক্রিয় বেল্টের মাধ্যমে তা মজুদ/সংরক্ষণ করা হচ্ছে কেন্দ্রটির কয়লার সেডে/গোডাউনে।

আরও পড়ুন: প্রধান তথ্য অফিসারের দায়িত্বে ইয়াকুব আলী

রিয়াজুল হক আরও বলেন, গত ১৬ মে বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি বসুন্ধরা ইমপ্রেসে ৩০ হাজার মেট্টিক টন ও ২৯ মে এমভি বসুন্ধরা ম্যাজেস্টি জাহাজে ৩০ হাজার ৫শ মেট্টিক টন কয়লা এসেছিলো মোংলা বন্দর হয়ে রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে।

এদিকে কয়লার সংকটের কারণে গত ৫ জুন পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরে ৯ জুন বাঁশখালী তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে যায়।