ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নবজাতক ও পেডিয়াট্রিক ক্রিটিক্যাল কেয়ারের বৈজ্ঞানিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বাংলাদেশ একাডেমি অব পেডিয়াট্রিক অ্যান্ড নিওনেটাল ক্রিটিক্যাল কেয়ার-এর যৌথ উদ্যোগে নবজাতক ও শিশুদের জটিল রোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ে দুই দিনব্যাপী একটি বৈজ্ঞানিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৩ ও ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ মেডিকেল কলেজের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এই কর্মশালায় দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল থেকে আগত অর্ধশতাধিক পেডিয়াট্রিক ক্রিটিক্যাল কেয়ার, নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় গুরুতর অসুস্থ ও ঝুঁকিপূর্ণ শিশু ও নবজাতকদের আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা, তাৎক্ষণিক জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা পদ্ধতি এবং সর্বশেষ বৈজ্ঞানিক গাইডলাইন নিয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
আরও পড়ুন: ১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, না থাকলে মিলবে না নিবন্ধন ও ফিটনেস সনদ
আয়োজকরা জানান, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সদ্য ভূমিষ্ঠ অপরিপক্ব নবজাতক, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত মায়েদের শিশু, মারাত্মক অসুস্থ ও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের দ্রুত ও কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। ফলে সারাদেশে শিশু ও নবজাতকের মৃত্যুহার আরও কমে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিফ কনসালটেন্ট অধ্যাপক ডা. মো. মনির হোসেনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে কর্মশালায় প্রশিক্ষণ দেন দেশের খ্যাতনামা নবজাতক ও শিশু বিশেষজ্ঞরা। প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ডা. মাহফুজা শিরীণ, অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল মান্নান, অধ্যাপক ডা. মো. আবদুল্লাহ আল মামুন, ডা. মো. নুরুল আখতার হাসান বিপুল, ডা. আবু তালহা, ডা. মোহাম্মদ মশিউর রহমান রিপন, ডা. মোহাম্মদ আক্তার হোসেন মাসুদ ও ডা. নুরুন নাহারসহ মোট ৯ জন বিশেষজ্ঞ।
আরও পড়ুন: বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরাতে প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে, ইউএইর সঙ্গে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া এগোচ্ছে
কর্মশালার সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেন ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নার্সিং কো-অর্ডিনেটর ফারজানা আজাদ।
সমাপনী অনুষ্ঠানে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী সারাদেশ থেকে আগত অংশগ্রহণকারী চিকিৎসকদের হাতে “সার্টিফিকেট অব এটেনডেন্স” তুলে দেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
কর্মশালার সহযোগী হিসেবে ছিল আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ফিশার অ্যান্ড প্যাকেল হেলথকেয়ার।





