পাঁচ কার্গো এলএনজি ও ৭৫ হাজার টন সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:১১ অপরাহ্ন, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ১১:৫৬ অপরাহ্ন, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

দেশের জ্বালানি ও কৃষিখাতের চাহিদা মেটাতে সরকার পাঁচ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং মোট ৭৫ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে।

এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৪০ হাজার টন ইউরিয়া এবং রাশিয়া থেকে ৩৫ হাজার টন এমওপি সার কেনা হবে।

আরও পড়ুন: ১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, না থাকলে মিলবে না নিবন্ধন ও ফিটনেস সনদ

মঙ্গলবার সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফার্টিগ্লোব ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফার্টিগ্লোব থেকে জিটুজি (সরকার-টু-সরকার) চুক্তির আওতায় ২০০৭ সাল থেকে ইউরিয়া সার আমদানি করা হয়। আগের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানির চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

আরও পড়ুন: বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরাতে প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে, ইউএইর সঙ্গে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া এগোচ্ছে

চুক্তি মোতাবেক প্রতি মেট্রিক টন ৪১০ মার্কিন ডলার হিসেবে মোট ১ কোটি ৬৪ লাখ ডলারে এই ৪০ হাজার টন ইউরিয়া সার কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ২০১ কোটি ২২ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

অন্যদিকে, কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী রাশিয়ার জেএসসি ‘ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন (প্রোডিনটর্গ)’ ও বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) চুক্তির মাধ্যমে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১৫১ কোটি ৫৬ লাখ ৫৭ হাজার ৮৮৫ টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের মূল্য ধরা হয়েছে ৩৫২.৯৩ মার্কিন ডলার।

এছাড়া, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবের ভিত্তিতে সিঙ্গাপুরের আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড থেকে ২০২৬ সালে সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ায় পাঁচ কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। স্বল্পমেয়াদি এই চুক্তির মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সংকট নিরসনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।