পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদার
সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গঠিত সেলের দ্বিতীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এ সভায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায় চারা সংগ্রহ, উপযুক্ত প্রজাতির গাছ নির্বাচন, অঞ্চলভিত্তিক মাটির গুণাগুণ অনুযায়ী বৃক্ষ নির্ধারণ, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার কার্যক্রমের সমন্বয় এবং সার্বিক মনিটরিং ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
আরও পড়ুন: ১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, না থাকলে মিলবে না নিবন্ধন ও ফিটনেস সনদ
সেলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নির্দেশনা এবং সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারমূলক উদ্যোগ। তিনি বলেন, এ কর্মসূচি সফল করতে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিতের লক্ষ্যে সচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।
তিনি আরও জানান, স্থানীয় সরকার বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ-সহ বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম সেলের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হবে।
আরও পড়ুন: বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরাতে প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে, ইউএইর সঙ্গে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া এগোচ্ছে
সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ২০২৬ সালের মধ্যে প্রথম ধাপে ৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি মাটির ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত প্রজাতির গাছ লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং টেকনিক্যাল কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নে বন অধিদপ্তরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, একই সঙ্গে বন উজাড় রোধেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি জানান, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বন অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশব্যাপী বনজ, ফলজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হবে।
সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও টেকনিক্যাল এক্সপার্ট ড. মোঃ সাইমুম পারভেজ, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি-র ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ নুরুল ইসলাম এবং টেকনিক্যাল এক্সপার্ট জামাইল বশীর জেবি উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব এবং বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক সভায় উপস্থিত ছিলেন।





