মক্কায় ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: তিন সপ্তাহেও সৌদির জবাব পায়নি ঢাকা

Sanchoy Biswas
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৯:৪৫ অপরাহ্ন, ০২ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১০:৪২ অপরাহ্ন, ০২ নভেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সৌদি আরবের মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে চেয়ে চিঠি পাঠানোর তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও দেশটির কর্তৃপক্ষের কোনো জবাব পায়নি বাংলাদেশ সরকার। এ ঘটনায় সৌদি আরবের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা।

সোমবার (২ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

আরও পড়ুন: পোশাক খাতে অরাজকতা ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে সরকার

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সৌদি সরকারের উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে সৌদি আরবে বাংলাদেশের মিশন দেশটির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। শিগগিরই এ বিষয়ে তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সৌদি সরকারের কাছ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো জবাব পাওয়া গেছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে কাজ চলছে এবং সময় লাগছে। দ্রুত সৌদি সরকারের কাছ থেকে তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করছে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন: ২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২৯ দিন, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা

এর আগে গত ১৪ অক্টোবর মক্কার একটি মসজিদে ‘অনৈতিক কাজের’ অভিযোগে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর জানায় সৌদি কর্তৃপক্ষ। তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সরকারকে এ বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি বলে ঢাকার পক্ষ থেকে জানানো হয়।

সংবাদমাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে বাংলাদেশ সরকার। এর অংশ হিসেবে গত ১৫ অক্টোবর জেদ্দায় বাংলাদেশের কনস্যুলেট সৌদি আরবের পররাষ্ট্র দপ্তরে একটি চিঠি পাঠায়। ওই চিঠিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কারণ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে চাওয়া হয়।

এর তিন দিন পর ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়। এ সময় জেদ্দার কনস্যুলেট থেকে পাঠানো চিঠির অনুলিপি পুনরায় সৌদি রাষ্ট্রদূতের কাছে হস্তান্তর করে মন্ত্রণালয়।

তবে সোমবার (২ নভেম্বর) পর্যন্ত সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ওই চিঠির কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে সৌদি সরকারের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যার অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ।