কারও আধিপত্য মেনে নেবে না বাংলাদেশ: জামায়াত আমির

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৯:২০ অপরাহ্ন, ১৭ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ৯:২০ অপরাহ্ন, ১৭ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশের ওপর কোনো দেশের আধিপত্য মেনে নেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, দেশের যুব সমাজ আর কোনো আধিপত্য মেনে নেবে না; তারা বুক উঁচু করে বিশ্বে নিজেদের গর্বিত বাংলাদেশি হিসেবে পরিচয় দিতে চায়।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর মিরপুরে আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দুস্থদের মাঝে চীনের সহায়তায় ফুড প্যাক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনও উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: দিনাজপুরে স্বেচ্ছাশ্রমে খাল পুনঃখনন কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকে চীন বাংলাদেশের অন্যতম বড় উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে কাজ করছে। দুই দেশের এই সম্পর্ক আগামী দিনগুলোতে আরও শক্তিশালী হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, কিছু দেশ বাংলাদেশকে তেমন কিছু না দিয়েও নানা বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে থাকে। কিন্তু চীন বরাবরই বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করেছে এবং সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে ভবিষ্যতেও চীন আরও বেশি উদ্যোগী ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা করেন।

আরও পড়ুন: বেলায়েত হোসেন মৃধা বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির বিশেষ সম্পাদক

জামায়াত আমির আরও বলেন, ফুড প্যাক বিতরণ কর্মসূচিটি সম্পূর্ণভাবে চীনের অর্থায়নে বাস্তবায়িত হয়েছে এবং এটি বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি উপহার। তিনি দাবি করেন, অতীতের সরকার এ ধরনের বন্ধুত্বের নিদর্শনকে নিজেদের নামে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছিল, যা তিনি অকৃতজ্ঞতার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। তিনি বলেন, ঈদুল ফিতর ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা ও আনন্দ ভাগাভাগির উৎসব। ঈদের প্রস্তুতিতে সহায়তা করতে এবং মানুষের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতেই চীনের পক্ষ থেকে এই উপহার দেওয়া হয়েছে।

চীনের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে চলমান উন্নয়ন প্রকল্প ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্রেও দুই দেশের অংশীদারিত্ব অব্যাহত থাকবে এবং একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সবাই একসঙ্গে কাজ করবে।