‘দীর্ঘ ৬ হাজার ৩শ ১৪ দিন পর বাংলাদেশের আকাশে’

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ৯:১৩ পূর্বাহ্ন, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি বাংলাদেশের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছে। বিষয়টি নিজেই নিশ্চিত করেছেন তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা ৩৪ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘দীর্ঘ ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর বাংলাদেশের আকাশে।’ তার এই সংক্ষিপ্ত বার্তাটি মুহূর্তেই দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

আরও পড়ুন: নারীদের এনজিও ঋণের দায়িত্ব নেবে সরকার: মির্জা ফখরুল

বাংলাদেশ বিমানের বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিজি-২০২ ফ্লাইটটি সিলেট হয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে। ফ্লাইটটি লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ১৭ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে।

একই বিমানে তারেক রহমানের সঙ্গে দেশে ফিরছেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

আরও পড়ুন: যারাই বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবে, তাদের ‘গুপ্ত’ বলবেন: তারেক রহমান

বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর ভিআইপি লাউঞ্জ ‘রজনীগন্ধা’য় অবস্থান শেষে তিনি সড়কপথে কুড়িল হয়ে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়ক এলাকায় নির্মিত গণসংবর্ধনা মঞ্চে যাবেন। সেখানে তিনি সমবেত জনতার উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেবেন এবং দুপুর ৩টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করবেন।

এরপর পূর্বাচল এলাকা থেকে বসুন্ধরা জি ব্লকের গেট দিয়ে সরাসরি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন তারেক রহমান। সেখানে তিনি বিকেল ৪টা ১০ মিনিট থেকে প্রায় এক ঘণ্টা চিকিৎসাধীন তার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পাশে অবস্থান করবেন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে তিনি গুলশান এভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসভবন ‘ফিরোজা’য় যাওয়ার কথা রয়েছে।

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে রাজধানীসহ আশপাশের এলাকায় তিন স্তরের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দর্শনার্থী প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। একই সঙ্গে বিমানবন্দর এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবেলায় সোয়াট টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।