ব্যবসা, দেশপ্রেম ও নেতৃত্বের প্রতীক

আব্দুল আউয়াল মিন্টুকে নিয়ে হাসনাতের কটুক্তি প্রত্যাখ্যানযোগ্য

Any Akter
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৪:৪২ অপরাহ্ন, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, ১৮ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ফেনী-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আব্দুল আউয়াল মিন্টুকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে দেওয়া হাসনাত আব্দুল্লাহর বক্তব্যকে ‘ভিত্তিহীন, অপমানজনক ও রাজনৈতিক বিদ্বেষপ্রসূত’ বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্ট মহল। হাসনাত আব্দুল্লাহ তাঁর বক্তব্যে মিন্টুকে “টাকা পাচারকারী” ও “রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে ব্যবসা করা ব্যক্তি” বলে আখ্যায়িত করেন, যা রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনের শামিল বলে মনে করছেন অনেকে।

আব্দুল আউয়াল মিন্টু দেশের একজন খ্যাতিমান ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তা। তিনি দুই মেয়াদে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি ছিলেন। পাশাপাশি ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালক এবং মাল্টিমোড গ্রুপের চেয়ারম্যান হিসেবে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। SAARC চেম্বার অব কমার্সের সহ-সভাপতি হিসেবেও তিনি আঞ্চলিক বাণিজ্য উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছেন।

আরও পড়ুন: কারও আধিপত্য মেনে নেবে না বাংলাদেশ: জামায়াত আমির

ব্যবসায়ী মহলের মতে, জনাব মিন্টুর বিরুদ্ধে অর্থপাচার বা দুর্নীতির কোনো প্রমাণ নেই। বরং তাঁর নেতৃত্বে বহু কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে, এবং দেশের ভাবমূর্তি আন্তর্জাতিক পরিসরে উজ্জ্বল হয়েছে। এমন একজন প্রতিষ্ঠিত ও দেশপ্রেমিক ব্যক্তিত্বকে নিয়ে এ ধরনের মন্তব্য শুধু রাজনৈতিক শিষ্টাচারবিরোধী নয়, বরং দেশের ব্যবসায়ী সমাজের প্রতি অবমাননার শামিল।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচন কমিশনের মতো একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে দাঁড়িয়ে এমন ব্যক্তিগত আক্রমণ করা অনভিপ্রেত। তারা মনে করেন, রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা হোক নীতিনির্ভর ও অবদানভিত্তিক। ব্যক্তি আক্রমণ বা অপপ্রচার গণতন্ত্রকে দুর্বল করে।

আরও পড়ুন: দিনাজপুরে স্বেচ্ছাশ্রমে খাল পুনঃখনন কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী

জনগণ এখন অপবাদ নয়, অবদান দেখে। তাই যারা দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করেছেন, তাদের সম্মান রক্ষা করা সবার দায়িত্ব—এমনটাই মনে করছেন সচেতন মহল।