লিটনের সেঞ্চুরিতে আড়াইশ পেরিয়ে অলআউট বাংলাদেশ

Sadek Ali
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত: ৬:২৩ অপরাহ্ন, ১৬ মে ২০২৬ | আপডেট: ৬:২৩ অপরাহ্ন, ১৬ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সিলেট টেস্টের উইকেটে পেসারদের জন্য বাড়তি সুবিধার আভাস আগে থেকেই ছিল। ম্যাচের শুরুতেই সেই প্রমাণ মিলেছে বাংলাদেশের ইনিংসে। পাকিস্তানের পেসার খুররম শাহজাদ ও মোহাম্মদ আব্বাসের তোপে শুরু থেকেই চাপে পড়ে স্বাগতিক ব্যাটাররা। তবে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যেও দুর্দান্ত সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে দলকে লড়াইয়ে রেখেছেন লিটন দাস।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৭৭ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৭৮ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ১২৬ রান করেন লিটন।

আরও পড়ুন: ব্যাটিং বিপর্যয়ের দিনে লিটনের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি

ইনিংসের শুরুটা ছিল হতাশাজনক। মোহাম্মদ আব্বাসের করা প্রথম ওভারেই বিদায় নেন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই স্লিপে ক্যাচ দিয়ে শূন্য রানে ফেরেন তিনি।

এরপর মুমিনুল হক ও তানজিদ হাসান কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। তবে ভালো শুরু পেয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি অভিষিক্ত ওপেনার তানজিদ। ৩৪ বলে ২৬ রান করে তিনি আউট হন। তাদের জুটিতে আসে ৪৪ রান।

আরও পড়ুন: সিলেটে ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশ

দলীয় ৬৩ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। খুররম শাহজাদের দুর্দান্ত ডেলিভারিতে বোল্ড হন মুমিনুল হক। এরপর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম দলকে সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।

ভালো ছন্দে থাকা শান্ত ২৯ রান করে স্লিপে ক্যাচ দেন। পরে মুশফিকুর রহিমও বেশি সময় টিকতে পারেননি। ৬৪ বলে ২৩ রান করে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন তিনি।

মেহেদি হাসান মিরাজও ব্যর্থ হন। মাত্র ৪ রান করে ফিরলে ১১৬ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে চরম বিপদে পড়ে বাংলাদেশ।

এমন অবস্থায় দলের হাল ধরেন লিটন দাস। তাকে কিছু সময় সঙ্গ দেন তাইজুল ইসলাম। ১৬ রান করলেও ৪০ বল খেলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। এরপর তাসকিন আহমেদের সঙ্গে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন লিটন, যদিও তাসকিন বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি।

একপ্রান্ত আগলে রেখে দারুণ দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন লিটন। ১৩৫ বলে ব্যক্তিগত সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। এটি লাল বলের ক্রিকেটে তার ষষ্ঠ সেঞ্চুরি।

শেষ পর্যন্ত ১২৬ রান করে আউট হন এই ডানহাতি ব্যাটার। তার লড়াকু ইনিংসেই সম্মানজনক সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।