কাপাসিয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিক ভাবে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। ২৬ আগস্ট মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলার সকল কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।
চলতি ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনালে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২'শ ২০জন কৃতি শিক্ষার্থীদের মেধার মূল্যায়ন হিসাবে এ সংবর্ধনা দেয়া হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ডাঃ তামান্না তাসনীম এর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থী, প্রধান শিক্ষক, অভিভাবক ও সাংবাদিক সহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার লোকজন অংশগ্রহণ করেন।
আরও পড়ুন: আপিলও খারিজ, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী নির্বাচন করতে পারবেন না
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুল আরিফ সরকারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিআরডিবি কর্মকর্তা দিলারা আক্তার মনি ফকির। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কাপাসিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জয়নাল আবেদীন মন্ডল, উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) বেলাল হোসেন সরকার, উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম শাহীন, কাপাসিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এফ এম কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোঃ শামসুল হুদা লিটন, কাপাসিয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ মাহমুদুল হাসান, ফুলবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোবারক হোসেন প্রধান, কামড়া মাশক ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ প্রমুখ। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কৃতি শিক্ষার্থীরাও তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা ব্যাখ্যা করেন।
এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন উপজেলা কমপ্লেক্স জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মুফতি মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ সাদী এবং গীতা থেকে পাঠ করেন কাপাসিয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক সুশীল চন্দ্র বর্মণ।
আরও পড়ুন: হান্নান মাসউদের পথসভায় ইট নিক্ষেপ, আহত ২
কৃতি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠানের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ডা. তামান্না তাসনীম বলেন, মেধার মূল্যায়নে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিতে পেরে খুব ভালো লাগছে। এটা তোমাদের প্রথম ধাপ। পরবর্তী ধাপেও তোমাদের সফল হতে হবে। আশা করবো সবাই যেন সুশিক্ষায় শিক্ষিত হও। তোমরাই সর্বক্ষেত্রে দেশ জাতীর সুনাম বয়ে আনবে। আমাদের মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের শিক্ষাই হলো বড় মূলধন। শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। তোমরা কখনো মূল থেকে বিচ্যুত হবে না। শিক্ষা গ্রহণ করে পিতা, মাতা, দেশ জাতী ও সমাজের জন্য কাজ করবে। সকল ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল হবে। যেখানেই থাকবে এলাকার উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করবে। তোমাদের মেধাকে সঠিক ভাবে কাজে লাগাতে পারলেই দেশ-জাতী উন্নত হবে। একদিন তোমাদের আন্তরিকতা ও কল্যাণকর ভূমিকার জন্য সবাই স্মরণ করবে।





