লক্ষ্মীপুরে জেএসডি নেতা

'নির্বাচন আকাশে যাবে, ভোটের বাক্স নিয়ে যাবে নদীর দিকে'

Sadek Ali
জাহাঙ্গীর লিটন, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৬:৪৪ অপরাহ্ন, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৬:৪৪ অপরাহ্ন, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সেনাবাহিনীর ক্যাম্প স্থাপনসহ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার না করলে 'নির্বাচন আকাশে যাবে ও ভোটের বাক্স নদীর দিকে নিয়ে যাওয়ার' শঙ্কা করছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দলীয় নির্বাচন কমিটির মুখপাত্র বেলায়েত হোসেন বেলাল। লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের রামগতির দক্ষিণাঞ্চল নিয়ে তিনি সংবাদ সম্মেলনে এ শঙ্কা করেন।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাবে জেএসডির ব্যানারে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র হওয়ায় লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের প্রার্থী জেএসডির সিনিয়র সহ-সভাপতি তানিয়া রবের (তারা) নির্বাচনী এলাকা মনিটরিংয়ের মাধ্যমে বেলাল সংবাদ সম্মেলনে তথ্যগুলো তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন: কাপাসিয়ার সার্বিক উন্নয়নে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন শাহ রিয়াজুল হান্নান

সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রশ্নে বেলাল বলেন, নির্বাচন আকাশে যাবে, ওখানে (রামগতির দক্ষিণাঞ্চল) ভোটকেন্দ্রে ভোটাররা যেতে পারবে না। হাতে পায়ে গুলি করে দেবে, ওরা অস্ত্র দেখায়। এ কারণে সেনাবাহিনীর ক্যাম্প দরকার অস্ত্র উদ্ধার করা দরকার। অস্ত্র উদ্ধার না করলে রামগতির দক্ষিণাঞ্চল বাংলাদেশের জন্য রেকর্ড সৃষ্টি করবে।

তিনি আরও বলেন, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের নমুনা 'সীল বানানো, ব্যালট বানানোর ঘটনাতো আছেই। একজনে তিনটি করে ব্যালট নিয়ে ঢুকবে এরকম পরিকল্পনাও আছে। চুরিধারি, জাল ভোট দেওয়া, বোরকা বানানি এগুলো সব ব্যবস্থায়ই আছে। কিন্তু একদম লুট হয়ে যাওয়া, ভোটের বাক্সসহ নদীর দিকে চলে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। অস্ত্র উদ্ধার না করা, অস্ত্রধারীদেরকে রেখে ভোট করলে এমন ঘটনা ঘটবেই। একদিকে পুলিশের অস্ত্র আরেকদিকে ডাকাতের অস্ত্র। পুলিশের অস্ত্র কেন্দ্রকে নিয়ন্ত্রণ করে, আর ডাকাতের অস্ত্র পুরো চরাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করে। মানুষতো ভোট দিয়ে এসে জীবন বাঁচাতে হবে।

আরও পড়ুন: যৌথবাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ গুলি ও মাদক উদ্ধার, আটক ২

বেলাল বলেন, বিএনপির প্রার্থী আশরাফ উদ্দিন নিজান বয়ারচরে ডাকাত ও অস্ত্রধারীদের সঙ্গে মিটিং করেছে। হাতিয়ার ডাকাতদেরকে হায়ার করছে। রামগতির চররমিজ এবং বড়খেরীসহ দক্ষিণাঞ্চলে ভোট কাটার জন্য, ভোট লুট করার জন্য তারা সমস্ত জলদস্যু, স্থলদস্যু, শয়তান, মাফিয়া দুষ্টচক্র সব একত্রিত হয়েছে৷ আশরাফ উদ্দিন নিজান ডাকাত ফরিদকে নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা করে। তাকে নিয়ে স্টেজে উঠে৷ ফরিদের বিরুদ্ধে ৩১ টি মামলা আছে। তারা সমস্ত ডাকাত ও অস্ত্রবাজকে একত্রিত করছে।