সিলেটের শাহী ঈদগাহে দুই মন্ত্রীর নামাজ আদায়, লাখো মুসল্লীর ঢল
সিলেটের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক শাহী ঈদগাহ মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
শনিবার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় প্রধান জামাতে তাঁরা অংশ নেন। শাহী ঈদগাহ মাঠে সিলেটের ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবছরের মতো এবারও মুসল্লিদের ঢল নামে। লাখো মানুষ একসঙ্গে এখানে নামাজ আদায় করেন।
আরও পড়ুন: শরীয়তপুরে রোগী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসকের উপর হামলা, আহত ৭
ঐতিহ্যবাহী রেওয়াজ অনুযায়ী নামাজ শেষে নেতারা উপস্থিত সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান। পরে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “আকাশসম প্রত্যাশা মানুষ আমাদের নির্বাচিত করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা জনগণের সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে চাই।” দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণকে সরকারের প্রধান লক্ষ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা দ্রব্যমূল্য মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে পেরেছি।”
প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।”
আরও পড়ুন: শ্যামনগরে ১৪৭তম ঐতিহাসিক ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী নগরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “আমরা একটি পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত, আধুনিক নগর গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিকনির্দেশনা ও সহায়তায় আমরা একটি আধুনিক ও উন্নত সিলেট গড়ার কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।”
ঈদের আনন্দ আর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শাহী ঈদগাহে শেষ হয় পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ- সবাই মিলে কোলাকুলিতে মেতে ওঠেন।
এছাড়াও ঈদের জামাতে আরও উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, এম এ মালিক এমপি, বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী, সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমসহ প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ। সর্বস্তরের মানুষও অংশ নেন এ জামাতে।
নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করেন এবং ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পাশাপাশি দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, অগ্রগতি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।





