মিথ্যা অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মাদ্রাসার মুহ্তামীমের সংবাদ সম্মেলন
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার ঘাগটিয়া ইউনিয়নের জামিয়া রশিদিয়া আশরাফিয়া খিরাটি মাদ্রাসার মুহ্তামীমকে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ২৪ মার্চ মঙ্গলবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মুহ্তামীম, তার সহকর্মী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, এলাকাবাসীসহ সর্বস্তরের জনগণ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. আবুল হাসান সাহেব কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত ওই মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসনের কাছে অপপ্রচারের বিষয়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ষড়যন্ত্রকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তারা।
আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই সমাজের বিরোধের জেরে সংঘর্ষে মসজিদের ইমামসহ নিহত ২
ওই মাদ্রাসার মুহ্তামীম মুহা. আব্দুস সবুর জানান, জন্মসূত্রে খুলনা এলাকার বাসিন্দা হলেও ওই মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে প্রায় ২৪ বছর যাবৎ তিনি কাপাসিয়ার খিরাটি এলাকায় বসবাস করে আসছেন। স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষের ভালোবাসায় আবদ্ধ হয়ে সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসের ইচ্ছায় ও ড. আবুল হাসান সাহেবের সাথে পরামর্শক্রমে তিনি ২০২২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি খিরাটি মৌজার,৭০, ৪৫১,৪৫৩ ও ৪৫৪ খতিয়ানের মোট আটটি দাগে ১৮১.৬৯ শতাংশ নিষ্কন্টক বোরো জমি কিনেন। তিনি স্থানীয় হেলাল উদ্দিন গং ও খোকা মিয়া ও মাজেদা গংদের কাছ থেকে জমি কেনার আগে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে খাজনা খারিজসহ প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র যাচাই—বাছাই করে নিয়েছেন বলে জানান।
তিনি আরো জানান, ইত:পূর্বে ওই ষড়যন্ত্রকারীর অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসনের নির্দেশে কাপাসিয়া উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের সার্ভেয়ার মোঃ ফারুক হোসেন সরেজমিনে মেপে সীমানা নির্ধারণ করে দিলে তিনি কাজের লোক নিয়োগ করে তার ক্রয়কৃত জমিতে মাছ চাষ ও নানা শস্য আবাদ করে আসছেন। তার জমির মাছ চাষ, চাষাবাদ ও শস্য আবাদ ব্যাপক লাভজনক হওয়ায় ওই ষড়যন্ত্রকারীরা ঈর্ষান্বিত হয়ে তার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তার ক্রয়কৃত বৈধ জোত জমি নিয়ে গত ২৩ মার্চ যে অপপ্রচার, মিথ্যাচার এবং ষড়যন্ত্রমূলক মননবন্ধন করা হয়েছে তার তিনি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
আরও পড়ুন: ঈদ পারস্পরিক সৌহার্দ্যতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে: লায়ন গনি মিয়া বাবুল
তিনি আরো দাবি করেন, কখনোই তিনি সূতি জলাশয়ের জমি জবরদখল করেননি, প্রাকৃকিত পরিবেশেরও কোনো সমস্যা করেননি বরং পরিবেশ বান্ধব চাষাবাদ করছেন এবং কোনো কৃষকভাই তার দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন না।
ঘাগটিয়া ইউানয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মনিরুল হক চাঁন মিয়া জানান, ওই মানববন্ধনের আয়োজনকারী এবং অংশগ্রহণকারী লোকজনের কারোরই আশপাশে জমিজমা নেই। সবুর সাহেবের সাথে হিংসা বিদ্বেষের কারণে কিছু লোক তার পিছনে লেগেছেন। তারা ওই মাদ্রাসারও সুনাম নষ্টের পায়তারা করছেন, যা কোনোভাবেই ঠিক নয়।
এ সময় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য দেন,পাশের জমির মালিক ও পোল্ট্রি ব্যবসায়ী মোঃ শফিক, মোঃ আব্দুল হক, ইসমাইল হোসেন মৃধা, কাঠ ব্যবসায়ী মোঃ আবুল কাশেম প্রমুখ।





