চরভদ্রাসনে এক বছরে কৃষিজমি বেড়েছে ২ হেক্টর

Shahrier Islam Pallab
চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১:৩০ অপরাহ্ন, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৬:১৭ পূর্বাহ্ন, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় এক বছরে নিট কৃষিজমির পরিমাণ ২ হেক্টর বেড়েছে। নদীভাঙনে কৃষিজমি হারানোর পাশাপাশি বসতবাড়ি, রাস্তা ও পুকুরসহ বিভিন্ন কাজে জমি চলে গেলেও নতুন করে জমি চাষের আওতায় আসা এবং চর জেগে ওঠায় কৃষিজমির পরিমাণ সামান্য বেড়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, চরভদ্রাসনে বর্তমানে মোট আবাদি বা নিট ফসলি জমির পরিমাণ ১০ হাজার ৭৮৩ হেক্টর। এর বিপরীতে মোট ফসলি জমির পরিমাণ ১৮ হাজার ৫৯৭ হেক্টর। এর মধ্যে এক ফসলি জমি ৫ হাজার ৭৯১ হেক্টর, দুই ফসলি জমি ৪ হাজার ১৭০ হেক্টর এবং তিন ফসলি জমি ১ হাজার ৪৮৬ হেক্টর।

আরও পড়ুন: লক্ষ্মীপুরে হাম-রুবেলার বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন শুরু: পাবে ৭৮ হাজার শিশু

কৃষি বিভাগের হিসাবে, গত এক বছরে ৩০ হেক্টর জমি নতুন করে চাষের আওতায় এসেছে। একই সময়ে বসতবাড়ি, রাস্তা, পুকুরসহ অন্যান্য কাজে ২ হেক্টর জমি কৃষিকাজের বাইরে চলে গেছে। এছাড়া নদীভাঙনে ৭ হেক্টর কৃষিজমি হারিয়েছে। অন্যদিকে নদীতে নতুন চর জেগে ৪ হেক্টর জমি কৃষির আওতায় এসেছে। সব মিলিয়ে নতুন জমি চাষের আওতায় আসা, চর জেগে ওঠা এবং বিভিন্ন কারণে কৃষিজমি কমে যাওয়ার হিসাব সমন্বয় করে দেখা গেছে, এক বছরে চরভদ্রাসনে নিট কৃষিজমি ২ হেক্টর বেড়েছে।

এদিকে উপজেলায় ফসলের আবাদেও পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে সরিষার আবাদ ৩০ হেক্টর বেড়েছে বলে কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে। চরাঞ্চলের নতুন জেগে ওঠা জমি কৃষির আওতায় আসায় ভবিষ্যতে আবাদি জমির পরিমাণ আরও বাড়ার সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন: রংপুর সদর উপজেলার সম্ভাবনা ও সমস্যা নিয়ে মতবিনিময় সভা

চরভদ্রাসন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান বিন ইসলাম বলেন, “চরভদ্রাসন নদীভাঙনপ্রবণ এলাকা। প্রতিবছর কিছু কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়, আবার নতুন চর জেগে নতুন জমিও তৈরি হয়। গত এক বছরে বিভিন্ন কারণে কিছু জমি কৃষিকাজের বাইরে গেলেও নতুন করে জমি চাষের আওতায় এসেছে এবং চর জেগে নতুন জমি পাওয়া গেছে। সবকিছু হিসাব করে দেখা গেছে, উপজেলায় নিট কৃষিজমি ২ হেক্টর বেড়েছে। একই সঙ্গে সরিষাসহ বিভিন্ন ফসলের আবাদ বাড়াতে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।”

কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চরাঞ্চলের নতুন জমি দ্রুত কৃষির আওতায় আনা গেলে একদিকে আবাদি জমির পরিমাণ বাড়বে, অন্যদিকে কৃষি উৎপাদনও বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।