ক্লাস চলাকালে ছাদের অংশ ধসে পড়ায় অল্পের জন্য রক্ষা পেল শিক্ষার্থীরা

মোকামপুঞ্জি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন চরম ঝুঁকিপূর্ণ

Shahrier Islam Pallab
সাইফুল ইসলাম বাবু, জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৩:২৪ অপরাহ্ন, ০৮ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ৩:২৪ অপরাহ্ন, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার মোকামপুঞ্জি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার সকালে ক্লাস চলাকালীন সময়ে ভবনের ছাদের একটি অংশ ভেঙে পড়ে। অল্পের জন্য কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বড় ধরনের দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯২ সালে নির্মিত ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। ছাদ ও দেয়ালের বিভিন্ন অংশও জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ফলে ক্লাস চলাকালীন সময়ে ভবনের কোনো অংশ ধসে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

আরও পড়ুন: পূর্বধলায় ড্রেজারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে শ্যালো মেশিন জব্দ

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজমল আলী বলেন, ভবনটি দীর্ঘদিনের পুরোনো হওয়ায় এর বিভিন্ন অংশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ক্লাস চলাকালীন ছাদের অংশ ধসে পড়ার ঘটনায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে দ্রুত ভবনটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইমাম উদ্দিন বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রতিদিন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই দ্রুত ভবনটি পরিদর্শন করে সংস্কার অথবা নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

এ বিষয়ে জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুনন্দা রায় বলেন, “বিষয়টি অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।”

আরও পড়ুন: রূপগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে ইউএনওর মতবিনিময়

এ অবস্থায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত বিদ্যালয় ভবনটি পরিদর্শন, ঝুঁকি নিরূপণ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী।