মানিকগঞ্জে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে, প্রতিমা সাজাতে ব্যস্ত কারিগররা

Shahrier Islam Pallab
মোহাম্মদ আলী, হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৩:৪১ অপরাহ্ন, ১২ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ৯:৪৫ অপরাহ্ন, ১২ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে মানিকগঞ্জে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। প্রতিমা তৈরি, রং ও অলংকরণের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা। অধিকাংশ মন্দিরে প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে। আগামী ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হবে দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা।

দুর্গোৎসবকে ঘিরে জেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। পূজারিদের পাশাপাশি দর্শনার্থীদের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। উৎসব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে কোবরা গ্রুপের প্রধান ১৫ মামলার আসামী সোহেল গ্রপ্তার

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জেলায় মোট ৫৭৪টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। জেলার বিভিন্ন মন্দিরে প্রতিমা তৈরির পাশাপাশি মণ্ডপ সাজানো ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক প্রস্তুতিও চলছে জোরেশোরে।

প্রতিমা তৈরির কারিগররা জানান, দুর্গোৎসবকে সামনে রেখে কাজের ব্যস্ততা বেড়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিমার রং ও অলংকরণের কাজ শেষ করতে তারা নিরলসভাবে কাজ করছেন। উৎসবকে ঘিরে দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। এ কারণে তারাও আনন্দ ও উৎসাহ নিয়ে প্রতিমা তৈরির কাজ করছেন।

আরও পড়ুন: কলাপাড়ায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ

হরিরামপুর উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দত্ত বিল্টু বলেন, “আমাদের উপজেলায় ৬৩টি পূজামণ্ডপ রয়েছে। প্রায় সব মণ্ডপেই প্রতিমা তৈরির যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষের দিকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সার্বিক সহযোগিতা করছে এবং নিরাপত্তার বিষয়ে সর্বাত্মক তৎপর রয়েছে। আমরা আশাবাদী, কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বা সহিংসতা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গোৎসব সম্পন্ন হবে।”

জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা মুঠোফোনে বলেন, এ বছর দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে সর্বস্তরে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে পূজারিরা জানান, তারা আনন্দ, উৎসাহ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদযাপনের প্রত্যাশা করছেন। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় উৎসবটি নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হবে বলে তারা আশাবাদী।