গাজীপুরে নিহত শ্রমিকের স্মরণে এনসিপির গায়েবানা জানাজা, ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ

Sanchoy Biswas
মো. ইমরান হোসেন, কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৫:০৭ অপরাহ্ন, ০৪ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৬:৪৭ অপরাহ্ন, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তায় শ্রমিক আন্দোলনে নিহত শ্রমিক তৌফিক হোসেন (২০)-এর উদ্দেশ্যে গায়েবানা জানাজার প্রস্তুতি নেয় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ওই সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়

বুধবার (৪ নভেম্বর) বেলা পৌনে ১টার সময় এ ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুন: লক্ষ্মীপুরে আগুনে পুড়ল বেদে সম্প্রদায়ের বসতঘর : নিঃস্ব ৯ পরিবার

জানা যায়, গাজীপুরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চলমান আন্দোলনে সোমবার হামলায় আহত গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের তৌফিক হোসেন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। নিহত তৌফিক গাজীপুর মহানগরীর সদর থানার বাংলাবাজার বাহাদুরপুর এলাকার সাগর মার্কেটসংলগ্ন খোরশেদ আলমের বাসায় ভাড়া থাকতেন। তিনি লায়লা স্টাইলস লিমিটেডের কাটিং বিভাগে জুনিয়র লে-ম্যান পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের তবিবর রহমানের ছেলে। বুধবার তৌফিক হোসেনের জানাজা শেষে নিজ গ্রামে দাফন করা হয়।

শ্রমিকের রুহের মাগফিরাত কামনায় বুধবার দুপুরে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তায় এনসিপির পূর্বঘোষিত গায়েবানা জানাজার প্রস্তুতি চলছিল। জানাজার আগে এনসিপি ও শ্রমিক শক্তির বেশ কয়েকজন নেতা বক্তব্য রাখেন। বক্তব্য শেষে তারা গায়েবানা জানাজা করতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। এরপরও জানাজা করতে চাইলে সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ ও বিজিবি।

আরও পড়ুন: দেশপ্রেম ও ত্যাগের মানসিকতায় উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে: আনসার মহাপরিচালক

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আলী নাসের খান বলেন, পুলিশ আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দেয়। আমরা পোশাকশ্রমিক তৌফিক হত্যার বিচার দাবি করছি। সেই সঙ্গে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানাই। আমাদের গায়েবানা জানাজা পড়তে না দিয়ে হামলা করা হয়েছে।

মহানগরীর বাসন থানার ওসি মো. হারুনর রশীদ জানান, এনসিপির নেতারা গাজীপুর চৌরাস্তার মূল পয়েন্টে জানাজার উদ্যোগ নেন। এ সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়, পাশের মসজিদ, ঈদগাহ মাঠ অথবা খেলার মাঠে জানাজা পড়তে। কিন্তু তারা শোনেননি। পরে বাধ্য হয়ে তাদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।