জকিগঞ্জে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত যুবক
সিলেটের জকিগঞ্জে বাড়ির সামনে সংঘবদ্ধ হামলায় ধারালো ছুরির আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন এক যুবক। এ সময় তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বুধবার (৪ নভেম্বর) আদালতে হাজির হলে ২ নং আসামি আব্দুল হান্নানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মামলার অন্য আসামিরা এখনো পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছেন অভিযোগকারী।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জকিগঞ্জ পৌরসভার নরসিংহপুর এলাকার বাসিন্দা মো. মুফাজ্জিল আলীর সঙ্গে প্রতিবেশী কয়েকজনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এর জেরে গত ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার দিকে তাঁর বাড়ির সামনে সংঘবদ্ধ হয়ে অভিযুক্তরা হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ১ লাখ ২০ হাজার টাকা লুটসহ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম, গ্রেপ্তার সোহান
অভিযোগে বলা হয়, এ সময় মুফাজ্জিল আলীর ছেলে এবাদুর রহমানকে ধারালো ছুরি দিয়ে পেটে আঘাত করা হয়। পাশাপাশি তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন অভিযুক্তরা। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এ ঘটনায় আসকর আহমদ, আব্দুল হান্নান, আনোয়ারা বেগমসহ কয়েকজনকে অভিযুক্ত করে জকিগঞ্জ থানায় মামলা করেন মুফাজ্জিল আলী। মামলাটি ২২ নং হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে হামলা, মারধর ও পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
আরও পড়ুন: হরিরামপুরে লাউতা জামি'আ ইবনে আব্বাস (রহ.) মাদ্রাসার উদ্যোগে ১০ম বাৎসরিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত
অভিযোগকারী মো. মুফাজ্জিল আলী বলেন, ‘আমি বিজ্ঞ আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এর আগেও একাধিকবার আমার পরিবারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। পরে জকিগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হলে সালিসের মাধ্যমে লিখিত সমঝোতার ভিত্তিতে জিডি প্রত্যাহার করা হয়। এরপরও আমাদের পরিবারের ওপর হামলা ও হুমকির ঘটনা ঘটেছে।’
তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িত সব আসামিকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জকিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সেকান্দর আলী বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের পাওয়া যায়নি।





