বগুড়া -৬ ও শেরপুর -৩ উপনির্বাচন

৯ এপ্রিল সাধারণ ছুটি, সাতদিন মাঠে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৭:৪৯ অপরাহ্ন, ৩০ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ৭:৪৯ অপরাহ্ন, ৩০ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচন ঘিরে প্রশাসনিক প্রস্তুতি জোরদার করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণের দিন সংশ্লিষ্ট দুই নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে টানা সাত দিনের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দিতে বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনী এলাকায় ৯ এপ্রিল সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: নির্বাচনী দায়িত্বে প্রাণহানি হলে ১০ লাখ টাকা অনুদান, ইসির নতুন সুরক্ষা নীতিমালা

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ আসনের শূন্য পদ এবং শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন উপলক্ষে ভোটগ্রহণের দিন সংশ্লিষ্ট এলাকার সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা প্রয়োজন। এতে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৯ এপ্রিল এই দুই আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। শেরপুর-৩ আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে এ আসনের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: স্থানীয় নির্বাচন ঘিরে প্রস্তুতি এগোচ্ছে, কমিশন সভার অপেক্ষায় ইসি

অন্যদিকে, বগুড়া-৬ আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই আসনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিজয়ী হলেও তিনি ঢাকা-১৭ আসনটি রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় এখানে উপনির্বাচনের প্রয়োজন হয়।

এদিকে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে নির্বাচন কমিশন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের চার দিন আগে, ভোটের দিন এবং ভোটের পরের দুই দিন—মোট সাত দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নির্বাচনী এলাকায় দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা প্রশিক্ষণসহ মোট আট দিন মাঠে থাকবে।

নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার মাধ্যমে বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের উপনির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশে সম্পন্ন হবে।