ইরানের খার্গ দ্বীপ দখলের হুমকি ট্রাম্পের, আজ রাতেই কঠোর হামলা

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:১৬ অপরাহ্ন, ১১ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১২:২৫ পূর্বাহ্ন, ১২ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই দেশটির তেলসমৃদ্ধ খার্গ দ্বীপ দখলের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল জানায়, ট্রাম্প ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল অবকাঠামোর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে মন্তব্য করেছেন। খার্গ দ্বীপকে ইরানের জ্বালানি খাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যেখানে দেশটির অপরিশোধিত তেল রপ্তানির বড় অংশ পরিচালিত হয়।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত

প্রতিবেদনে বলা হয়, খার্গ দ্বীপ ইরানের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দ্বীপটিতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা, নৌ-মাইন এবং ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সামরিক সক্ষমতার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। তিনি ইঙ্গিত দেন, ভবিষ্যতে খার্গ দ্বীপসহ গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হতে পারে।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যের সংকট বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়তে পারে, সতর্ক করলেন জাতিসংঘ মহাসচিব

মার্কিন প্রেসিডেন্টের এ মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন হরমুজ প্রণালির কাছে একটি মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। ওই ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, খার্গ দ্বীপ নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য বাস্তবায়নের চেষ্টা হলে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। কারণ, ইরানের তেল রপ্তানির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে দ্বীপটির কৌশলগত গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।

এদিকে ট্রাম্পের সর্বশেষ মন্তব্যের বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।