খামেনি হত্যাকাণ্ড ‘মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা’: ইরানের প্রেসিডেন্ট

Sanchoy Biswas
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:৩১ অপরাহ্ন, ০১ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ৪:১০ পূর্বাহ্ন, ০২ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় হত্যার ঘটনাকে ‘মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। রোববার (১ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন। খবরটি নিশ্চিত করেছে টাইমস অব ইসরায়েল।

পেজেশকিয়ান বলেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ এবং বিশ্বজুড়ে শিয়া সম্প্রদায়ের একজন বিশিষ্ট নেতাকে এভাবে হত্যা করা হলো। এটি বিশ্বের সব প্রান্তের মুসলিম, বিশেষ করে শিয়াদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য যুদ্ধ ঘোষণা।”

আরও পড়ুন: ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলে অন্তত ৮ জন নিহত, কয়েক ডজন আহত

তিনি আরও বলেন, খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া ইসলামি প্রজাতন্ত্রের অধিকার ও কর্তব্য।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ অভিযান চালিয়ে শনিবার ভোরে তেহরান-এ খামেনিকে হত্যা করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ এবং ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে উচ্চপর্যায়ের এক গোপন বৈঠক চলাকালে এ হামলা চালানো হয়।

আরও পড়ুন: মার্কিন রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি আইআরজিসির

প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী রাতের দিকে হামলা চালানোর কথা থাকলেও, বৈঠকের সময় পরিবর্তনের তথ্য পাওয়ার পর অভিযান দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হয়। মার্কিন সূত্রের দাবি, খামেনি আত্মগোপনে যেতে পারেন—এমন আশঙ্কায় তাকেই প্রধান লক্ষ্যবস্তু করা হয়।

ইরানি নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, হামলার আগে খামেনি প্রতিরক্ষা পরিষদের সেক্রেটারি আলী শামখানি এবং সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি আলী লারিজানি-এর সঙ্গে বৈঠক করছিলেন।

ইসরায়েলের দাবি অনুযায়ী, হামলায় ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোর-এর কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুরসহ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক নেতা নিহত হয়েছেন।