ট্রাম্পের নির্দেশ অমান্য, যুক্তরাষ্ট্রে সামরিক-বেসামরিক ১২ শীর্ষ কর্মকর্তা বরখাস্ত

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:২৬ পূর্বাহ্ন, ০৫ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১০:২৬ পূর্বাহ্ন, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের স্থল অভিযান চালানোর নির্দেশ অমান্য করায় যুক্তরাষ্ট্রে সামরিক ও বেসামরিক নেতৃত্বের মধ্যে তীব্র দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর নির্দেশে আপত্তি জানানোয় এক ডজনের বেশি জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তার সঙ্গে হোয়াইট হাউসের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যানসহ ১২ জন শীর্ষ জেনারেলকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সামরিক নেতৃত্বে এটি অন্যতম বড় ধরনের পরিবর্তন।

আরও পড়ুন: মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা প্রথমবার স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র

জেনারেলদের এই অবস্থান নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এক পক্ষের মতে, তারা একটি ‘অবৈধ নির্দেশ’ মানতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আইনি অবস্থান নিয়েছেন। অন্যদিকে, আরেক পক্ষ এটিকে বেসামরিক নেতৃত্বের প্রতি সামরিক বাহিনীর অবাধ্যতা হিসেবে দেখছে।

ইরানে সামরিক অভিযানের সমর্থকরা বলছেন, দেশের সর্বাধিনায়ক হিসেবে প্রেসিডেন্টের সামরিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে এবং সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বাধা দেওয়া কমান্ড কাঠামোর পরিপন্থী।

আরও পড়ুন: দক্ষিণ আফ্রিকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২১

অন্যদিকে বিরোধীরা আশঙ্কা করছেন, এমন পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে। তাদের মতে, অভিজ্ঞ সামরিক কর্মকর্তাদের সরিয়ে রাজনৈতিকভাবে অনুগত ব্যক্তিদের বসানো হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে এবং অপ্রয়োজনীয় সংঘাতের ঝুঁকি বাড়বে।

বর্তমানে পেন্টাগন-এ চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। শূন্যপদগুলো কীভাবে পূরণ করা হবে এবং চলমান সামরিক কার্যক্রমে এর প্রভাব কী হবে—তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

হোয়াইট হাউস ও সামরিক নেতৃত্বের এই বিরোধ আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ তৈরি করেছে, যা ভবিষ্যতে বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সূত্র: রোয়া নিউজ