লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, কাতার-ওমান-সিরিয়ার তীব্র নিন্দা

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:৫১ পূর্বাহ্ন, ০৯ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৮:৫১ পূর্বাহ্ন, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

লেবাননের বিভিন্ন অঞ্চলে ইসরায়েলের ব্যাপক বিমান হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশ। কাতার, ওমান ও সিরিয়া পৃথক বিবৃতিতে এসব হামলার নিন্দা জানিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক এই হামলায় অন্তত ২৫৪ জন নিহত এবং আরও প্রায় ১,১৬৫ জন আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন: মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা প্রথমবার স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে হামলাকে ‘নৃশংস ও ব্যাপক আক্রমণ’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছে, এটি লেবানন-এর সার্বভৌমত্বের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ-এর ১৭০১ নম্বর প্রস্তাবেরও গুরুতর লঙ্ঘন হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। কাতার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানিয়েছে, যেন তারা ইসরায়েলকে এসব হামলা বন্ধে বাধ্য করে এবং আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় জবাবদিহি নিশ্চিত করে।

আরও পড়ুন: দক্ষিণ আফ্রিকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২১

একই ঘটনায় ওমানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হামলাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেছে, এটি আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের মৌলিক নীতির স্পষ্ট লঙ্ঘন। দেশটি এই হামলার জন্য ইসরায়েলকে সম্পূর্ণ দায়ী করে কার্যকর আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে।

অন্যদিকে সিরিয়াও পৃথক বিবৃতিতে লেবাননের ওপর ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, এই ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের মূলনীতির পরিপন্থী।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে ইসরায়েলি বাহিনী দেশজুড়ে প্রায় ১০০টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়, যার বড় অংশই রাজধানী বৈরুতকেন্দ্রিক ছিল।

উল্লেখ্য, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার প্রথম দিনেই এই হামলার ঘটনা ঘটে, যা চলমান শান্তি প্রচেষ্টাকে নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে।