উত্তেজনা বাড়ছে উপসাগরীয় অঞ্চলে
কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের হামলা
কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে কুয়েতের প্রতিরক্ষা বাহিনী। তবে দেশটির দাবি, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় থাকায় হামলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি এবং সব লক্ষ্যবস্তু প্রতিহত করা হয়েছে।
বুধবার (৩ জুন) ভোরে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে কুয়েতের প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, মাঝরাতে দেশটিতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে শত্রুতাপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছিল। তবে সেগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই ধ্বংস করা হয়।
আরও পড়ুন: কেশম দ্বীপে ফের হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, পালটা জবাব দিল ইরান
বিবৃতিতে বলা হয়, কুয়েতের অভ্যন্তরে কোনো সামরিক বা বেসামরিক স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটেনি। রাতের বেলা যে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, তা ছিল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ধ্বংসের ফল।
তবে কুয়েতের এই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক বার্তায় তারা দাবি করেছে, কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে অন্তত তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে আঘাত হেনেছে।
আরও পড়ুন: অনলাইন প্রতারণার অভিযোগে কাঠমান্ডুতে ১৫ বাংলাদেশিসহ ১৯ জন গ্রেপ্তার
এর আগে গত ১ জুনও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, নিক্ষিপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিহত করা হয়েছে।
এদিকে কুয়েতের পাশাপাশি বাহরাইনে মার্কিন নৌঘাঁটি লক্ষ্য করেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে। তবে বাহরাইনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
এর আগে ইরানের কেশম দ্বীপের আশপাশে একাধিক বিস্ফোরণের খবর প্রকাশিত হয়। এর কিছু সময় পরই উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা ঘটে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে।
সাম্প্রতিক এসব ঘটনার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো।





