মিয়ানমার উপকূলে দুই নৌকা ডুবি, ৫০০ জনের বেশি নিহতের আশঙ্কা

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২:৫৮ অপরাহ্ন, ১৬ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ৮:৫৮ অপরাহ্ন, ১৬ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

মিয়ানমারের উপকূলের কাছে রোহিঙ্গা শরণার্থী বহনকারী দুটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় ৫০০ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। যদিও ঘটনাগুলোর বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি, তবুও এটিকে চলমান মানবিক সংকটের ভয়াবহ একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানায়, ৫০০-এর বেশি আরোহী নিয়ে যাত্রা করা দুটি নৌকা মিয়ানমারের উপকূলে নিখোঁজ বা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।

আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১১৫ ডলার ছাড়াল

প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, নৌকা দুটি জুনের শেষ দিকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। আরোহীদের অধিকাংশই ছিলেন রোহিঙ্গা শরণার্থী। তাদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশের কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শিবির থেকেও এই ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম নৌকাটিতে প্রায় ২৫০ জন ছিলেন। যাত্রা শুরুর অল্প সময়ের মধ্যেই সেটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দ্বিতীয় নৌকায় প্রায় ২৮০ জন আরোহী ছিলেন এবং ধারণা করা হচ্ছে, এটি ৮ জুলাই মিয়ানমারের আয়েয়ারওয়াডি উপকূলের কাছে ডুবে যায়।

আরও পড়ুন: ইসরায়েলের নির্বাচনে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ

ইউএনএইচসিআর ও আইওএম জানিয়েছে, হতাহতের সঠিক সংখ্যা এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তবে সম্ভাব্য প্রাণহানির পরিমাণ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। নৌকাগুলোর যাত্রীদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা জানতে উদ্ধার অভিযান ও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

জাতিসংঘ বলছে, সংঘাত, নিপীড়ন ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে রোহিঙ্গারা এখনও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রপথে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে যাত্রা করছেন। এসব ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রায় প্রায়ই প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।