ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি আজই সই হতে পারে, দাবি ট্রাম্পের

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, ১৪ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, ১৪ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য সমঝোতা চুক্তি রোববার (১৪ জুন) স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এ বিষয়ে ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি), যারা বলছে আলোচনার প্রক্রিয়া এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং চুক্তি কার্যকর হলে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হবে।

আরও পড়ুন: দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ, পিছিয়ে ভারত-পাকিস্তান

অন্যদিকে আইআরজিসি সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানি আলোচকরা এখনো সমঝোতা স্মারকের কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের মতে, চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে ট্রাম্পের আগাম ঘোষণা বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

ইরানি পক্ষের দাবি, ১৪ জুন ট্রাম্পের জন্মদিন হওয়ায় তিনি সম্ভাব্য চুক্তিকে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে তুলে ধরতে আগ্রহী হতে পারেন।

আরও পড়ুন: ভারতের মহারাষ্ট্রে একই পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

ট্রাম্প তার পোস্টে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ২০১৫ সালের ইরান পারমাণবিক চুক্তিরও সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ওই চুক্তি ইরানকে পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের পথ সহজ করে দিয়েছিল। তবে তার প্রশাসনের উদ্যোগে যে সমঝোতা হচ্ছে, সেটি পারমাণবিক অস্ত্র উন্নয়ন ঠেকানোর ক্ষেত্রে আরও কার্যকর হবে বলে দাবি করেন তিনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, বর্তমান আলোচনার মাধ্যমে ইরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং এটি পূর্ববর্তী প্রশাসনগুলোর তুলনায় ভিন্ন ধরনের কূটনৈতিক অগ্রগতি নির্দেশ করে।

ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য চুক্তি কার্যকর হলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমিত হওয়ার পাশাপাশি আঞ্চলিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

তবে এখন পর্যন্ত চুক্তির শর্ত, বাস্তবায়ন কাঠামো কিংবা স্বাক্ষরের আনুষ্ঠানিক সময়সূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা ইরানের পক্ষ থেকে কোনো যৌথ ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতির পরবর্তী অগ্রগতির দিকে নজর রাখছে।