ফের আমিরাতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
সংযুক্ত আরব আমিরাতকে লক্ষ্য করে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। এর মধ্যে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আমিরাতের জলসীমায় পড়েছে এবং অন্যটি দেশটির জলসীমার বাইরে গিয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানায় আমিরাত কর্তৃপক্ষ। খবর এনডিটিভির।
আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১১৫ ডলার ছাড়াল
হামলার আগে কয়েক মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কতা জারি করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ক্রাইসিস অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (এনসিইএমএ)।
সংস্থাটির এক বিবৃতিতে জানানো হয়, দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আমিরাতের দিকে এগিয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি শনাক্ত করে। এরপর নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার পাশাপাশি সরকারি চ্যানেলে প্রকাশিত সতর্কতা ও সর্বশেষ তথ্য অনুসরণ করতে বলা হয়।
আরও পড়ুন: ইসরায়েলের নির্বাচনে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ
একই সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মোবাইল ফোনে নাগরিকদের সতর্কবার্তা পাঠায়। এতে বর্তমান পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় সবাইকে নিকটস্থ নিরাপদ ভবনে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এর আগে আমিরাত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, শুক্রবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির (এডিএনওসি) একটি জাহাজে হামলা চালানো হয়। এ ঘটনার পর ইরানকে উসকানিবিহীন হামলা বন্ধ, শত্রুতা অবসান এবং হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি পুনরায় খুলে দেওয়ার আহ্বান জানায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
আমিরাতে সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কতা জারি হয়েছিল মে মাসে। পরে জুনে জাতীয় আগাম সতর্কতা ব্যবস্থার কারিগরি ত্রুটির কারণে বাসিন্দাদের কাছে ভুল করে সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছিল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইরানের হামলার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। এ সময় দেশটির দিকে প্রায় ৩ হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে, যা ওই অঞ্চলের অন্য দেশগুলোর তুলনায় বেশি।





