তেলাপোকার পর মোদির বিরুদ্ধের এবার নামছে ‘মাছি জনতা পার্টি’

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১:১৪ অপরাহ্ন, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১:১৪ অপরাহ্ন, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ভারতে চলমান ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সঙ্গে এবার রাজপথের আন্দোলনে যোগ দিয়েছে নতুন রাজনৈতিক দল ‘মাছি জনতা পার্টি’। ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে দলটি। তাদের আগমনে মোদিবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত হয়েছে নতুন মাত্রা, তৈরি হয়েছে নতুন আলোচনা ও কৌতূহল।

ভারতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় আত্মপ্রকাশ করল এক নতুন রাজনৈতিক স্যাটায়ার বা ব্যঙ্গাত্মক উদ্যোগ— মাছি জনতা পার্টি (Makhi Janta Party - MJP)। প্রধান বিচারপতির ‘মাছি মারতে হাতুড়ি ব্যবহার করা যায় না’ (hammer to kill a fly) মন্তব্য থেকেই মূলত অনুপ্রাণিত হয়ে ইনস্টাগ্রামে এই প্ল্যাটফর্মটি গড়ে উঠেছে। আত্মপ্রকাশের মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাকাউন্টটিতে ৪০ লক্ষেরও বেশি ভিউ এবং ৩.৩ লক্ষের বেশি অনুগামী (Followers) যুক্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন: বিক্ষোভে উত্তাল ইউরোপের চার দেশ, ফ্রান্সে ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট

ইনস্টাগ্রামে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে মাছি জনতা পার্টি জানিয়েছে, তারা আরেকটি ব্যঙ্গাত্মক গণআন্দোলন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র সঙ্গে যোগাযোগ করে যৌথভাবে কর্মসূচি পালনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে। সম্প্রতি যন্তর মন্তরে প্রতিবাদী আন্দোলনকারী নেহা বোরাকে সমর্থন জানানোর পাশাপাশি সিজেপি-র দুই শীর্ষ নেতার পুলিশি আটকের কড়া সমালোচনা করে দুটি পৃথক বিবৃতি জারি করেছে এমজেপি।

মাছি জনতা পার্টি কী?

আরও পড়ুন: কলকাতায় পূজামণ্ডপে পদদলিত হয়ে নিহত ১৯

মক্ষি বা মাছি জনতা পার্টি — এমজেপি হলো ইনস্টাগ্রাম কেন্দ্রিক একটি ব্যঙ্গাত্মক প্ল্যাটফর্ম। ডিজিটাল রেকর্ড অনুযায়ী, অ্যাকাউন্টটি ২০২১ সালের জুনে তৈরি হলেও অন্তত ৮ বার নাম পরিবর্তনের পর বর্তমানে ‘makhijantaparty.ig’ ইউজারনেম নিয়ে সক্রিয় হয়েছে। আর্যন (Aaryan) নামের এক ছাত্র নিজেকে এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি হিসেবে দাবি করেছেন। সম্প্রতি এক পোস্টে সংগঠনের তরফে মুখপাত্র খোঁজার বিজ্ঞপ্তিও দেয়া হয়।

সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ও এমজেপির বার্তা

গত ৯ অক্টোবর সিজেপির ১০ অক্টোবরের প্রস্তাবিত দিল্লি স্তব্ধ করার কর্মসূচির আগে রাজধানীতে ইন্টারনেট, মেট্রো ও ট্রেন চলাচলে ঢালাও নিষেধাজ্ঞা জারির বিরুদ্ধে এক পিটিশনের শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। সেই সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ কড়া পর্যবেক্ষণ জানিয়ে বলেন, ‘নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রয়োজনে গণপরিবহন নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে, কিন্তু পুরো ব্যবস্থা স্তব্ধ করা যায় না। একটা মাছি মারতে তো আর হাতুড়ি ব্যবহার করা চলে না।’ সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস