বইয়ের পাতায় উঠে আসছে আজিজুল হাকিমের অভিনয়জীবন
বাংলা নাটক ও মঞ্চনাটকে দীর্ঘ অভিনয়যাত্রায় নিজস্ব দক্ষতা ও স্বতন্ত্র অভিনয়শৈলীতে দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছেন বরেণ্য অভিনেতা আজিজুল হাকিম। পরে নাটক-সিনেমা-ওটিটিতে মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন। পাঁচ দশক হলো অভিনয় করছেন তিনি। এবার পঞ্চাশ বছরের অভিনয়জীবনের অভিজ্ঞতা বইয়ের পাতায় তুলে ধরতে যাচ্ছেন অভিনেতা। জানিয়েছেন বইটি নিয়ে আলোচনা চলছে প্রকাশনী সংস্থার সঙ্গে।
এ বিষয়ে অভিনেতা বলেন, ‘মামুনুর রশীদের হাত ধরে আমার নাট্যজীবনের পথচলা শুরু। মঞ্চ আমাকে অভিনয়শিল্পী হিসেবে তৈরি করেছে। একজন শিল্পীর দীর্ঘ অভিনয়জীবন নিয়ে গবেষণা করে বই প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়াটা সত্যিই সম্মানের। ৫০ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। এই পথচলায় অনেক অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছি। মঞ্চে অভিনয়, নির্দেশনা, বিজ্ঞাপন, নাটক, সিনেমাসহ সব ক্ষেত্রই উঠে আসবে এই বইয়ে। এর মাধ্যমে আমার অভিজ্ঞতাগুলো নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছাবে। যেহেতু বই বারবার প্রকাশ করা যায় না, তাই একটু সময় নিয়ে ভালোভাবে কাজটি করতে চাই।’
আরও পড়ুন: ৩৯ বছর পর ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’র সেই পোশাকে অনিল কাপুর
পাঁচ দশকের পথচলা নিয়েও কথা বলেছেন অভিনেতা। তার ভাষ্যমতে, ‘৫০ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। এই পথচলায় অনেক অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছি। মঞ্চে অভিনয়, নির্দেশনা, বিজ্ঞাপন, নাটক, সিনেমাসহ সব ক্ষেত্রই উঠে আসবে এই বইয়ে। এর মাধ্যমে আমার অভিজ্ঞতাগুলো নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছাবে। যেহেতু বই বারবার প্রকাশ করা যায় না, তাই একটু সময় নিয়ে ভালোভাবে কাজটি করতে চাই।’
উল্লেখ্য যে, ১৯৭৭ সালে মামুনুর রশীদের হাত ধরে আরণ্যক নাট্যদলের সঙ্গে যুক্ত হন আজিজুল হাকিম। দলটির হয়ে বিভিন্ন প্রযোজনায় অভিনয়ের পাশাপাশি নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি। ১৯৮১ সালে ‘এখানে নোঙর’ নাটকের মাধ্যমে টেলিভিশনে তাঁর অভিষেক হয়। ১৯৮৪ সালে প্রচারিত ‘তবুও তো সে’ নাটকে প্রথমবারের মতো নায়কের চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেন নব্বইয়ের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেতা।
আরও পড়ুন: প্রান্তর-ইউমনার ‘এভাবেও প্রেম আসে’, দেখা যাবে আগামীকাল
চলচ্চিত্রে তাঁর অভিষেক ঘটে ‘শঙ্খনীল কারাগার’ দিয়ে। এখনো নাটক, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ও সিনেমায় সমানতালে অভিনয় করে যাচ্ছেন আজিজুল হাকিম। নির্মাতা হিসেবেও তিনি সফল। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বেশ কিছু জনপ্রিয় টেলিভিশন নাটক পরিচালনা করে প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। তাঁর পরিচালিত কিছু নাটক ‘তবু হে রংধনু’, ‘সকাল সন্ধ্যা রাত’, ‘নিজ গৃহে পরবাসী’ ইত্যাদি।





