সুপ্রিম কোর্ট নিয়ে অসত্য সংবাদ প্রকাশ করলে আদালত অবমাননার দায় নিতে হবে

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৪:৩৩ অপরাহ্ন, ০৫ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ১১:৫৬ অপরাহ্ন, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বা অসত্য সংবাদ প্রকাশ বা প্রচার করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানকে আদালত অবমাননার দায় নিতে হবে বলে সতর্ক করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: দুদকের মামলায়ও জামিন পেলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর

বিজ্ঞপ্তিতে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি নির্দেশনা দিয়ে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো সংবাদ প্রকাশ বা প্রচারের আগে অবশ্যই সুপ্রিম কোর্টের মিডিয়া ফোকাল পার্সন অথবা রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা ও সত্যতা যাচাই করতে হবে। ভবিষ্যতে এ নির্দেশনা উপেক্ষা করে কোনো মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ বা প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেওয়ায় আপিল বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এবং বেঞ্চ না পাওয়ায় হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি ছুটিতে গিয়েছেন—এমন সংবাদ টিভি স্ক্রলসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও দুঃখজনক।

আরও পড়ুন: পদত্যাগ করা প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ তদন্ত হবে: চিফ প্রসিকিউটর

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের মতে, এ ধরনের ভুল ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ দেশের সর্বোচ্চ আদালত সম্পর্কে জনমনে ভুল ধারণা সৃষ্টি করে এবং সুপ্রিম কোর্টের মর্যাদা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে। একই সঙ্গে এটি আদালত অবমাননার শামিল। সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলো যদি সংবাদ প্রকাশের আগে সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রি থেকে তথ্য যাচাই করত, তাহলে এ ধরনের অনভিপ্রেত পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে জানানো হয়, আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম তার মায়ের অসুস্থতার কারণে ছুটি গ্রহণ করেছেন এবং হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ফরিদ আহমেদ অসুস্থতাজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি থাকায় সাময়িকভাবে বিচারকার্যে অংশ নিতে পারছেন না। এসব ঘটনার সঙ্গে গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদের কোনো সম্পর্ক নেই।