ফ্যাটি লিভারের যে ৫ লক্ষণ অবহেলা করবেন না

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৫:২৩ অপরাহ্ন, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৬:২৩ অপরাহ্ন, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বর্তমান সময়ে অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত ওজন, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব ও বিভিন্ন বিপাকীয় সমস্যার কারণে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়ছে। অনেকের ক্ষেত্রে শুরুতে তেমন কোনো উপসর্গ দেখা যায় না। ফলে শরীরে কিছু পরিবর্তন দেখা দিলেও তা অবহেলা করেন অনেকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিচের কয়েকটি লক্ষণ দেখা দিলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন—

১. অতিরিক্ত ক্লান্তি

আরও পড়ুন: খালি পেটে যে ৭টি অভ্যাস এড়িয়ে চলা ভালো

পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রামের পরও সারাক্ষণ দুর্বল বা ক্লান্ত লাগতে পারে। দৈনন্দিন কাজেও আগের তুলনায় বেশি অবসাদ অনুভূত হতে পারে।

২. পেটের ডান দিকে অস্বস্তি বা ব্যথা

আরও পড়ুন: মানসিক চাপ থেকে মাথাব্যথা? কমাতে পারেন ১১ সহজ উপায়ে

লিভার শরীরের ডান পাশের ওপরের দিকে অবস্থিত। লিভারে চর্বি জমলে কিছু মানুষের ওই এলাকায় চাপ, ভারী লাগা বা হালকা ব্যথা অনুভূত হতে পারে।

৩. অকারণে ওজনের পরিবর্তন

বিশেষ করে জীবনযাপন বা খাদ্যাভ্যাসে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন না থাকা সত্ত্বেও ওজন বেড়ে গেলে তা শরীরের বিপাকীয় সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে। অতিরিক্ত ওজন ফ্যাটি লিভারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি।

৪. পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি

কিছু ক্ষেত্রে পেট ভারী লাগা, অস্বস্তি বা ফাঁপাভাব দেখা দিতে পারে। তবে এসব উপসর্গের অন্য অনেক কারণও থাকতে পারে।

৫. ত্বক বা চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া

চোখের সাদা অংশ বা ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়া লিভারের গুরুতর সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। ফ্যাটি লিভারের সাধারণ প্রাথমিক লক্ষণ এটি নয়; এমন হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

ফ্যাটি লিভার অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই থাকতে পারে। তাই স্থূলতা, ডায়াবেটিস, উচ্চ কোলেস্টেরল বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার ঝুঁকি থাকলে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। সন্দেহ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্ত পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ইমেজিং পরীক্ষা করা যেতে পারে।

মনে রাখতে হবে, এসব লক্ষণ থাকলেই ফ্যাটি লিভার হয়েছে—এমন নয়। একই উপসর্গ অন্য রোগেও দেখা দিতে পারে। তাই নিজে থেকে রোগ নির্ণয় বা ওষুধ গ্রহণ না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।