যেভাবে মিশ্র ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
ত্বক শুষ্ক হলে এক ধরনের যত্ন, তৈলাক্ত হলে আরেক ধরনের। কিন্তু যাদের ত্বক মিশ্র, তারা কী করবেন? নিশ্চয়ই তারাও ত্বকের যত্ন নেবেন। সেজন্য আপনাকে নানা দামি পণ্য কিনে ঘর ভরাতে হবে না কিংবা ছুটতে হবে না পার্লারেও। বাড়িতে থাকা কিছু উপকরণও মিশ্র ত্বকের যত্নে সহায়ক হতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক মিশ্র ত্বকের যত্নে কোন কাজগুলো করবেন।
মিশ্র ত্বক কী?
আরও পড়ুন: মানুষ কেন অপমানের স্মৃতি বেশি মনে রাখে?
মিশ্র ত্বকে সাধারণত কপাল, নাক ও থুতনির অংশে (T-zone) তেল বেশি থাকে, কিন্তু গাল বা মুখের অন্য অংশ তুলনামূলক শুষ্ক হতে পারে। তাই এ ধরনের ত্বকের যত্নে ভারসাম্য রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
মিশ্র ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
আরও পড়ুন: ফ্যাটি লিভারের যে ৫ লক্ষণ অবহেলা করবেন না
১. মৃদু ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন
দিনে দুইবার মাইল্ড, সুগন্ধিবিহীন ক্লিনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতে পারেন। অতিরিক্ত শক্তিশালী ক্লিনজার ত্বকের শুষ্ক অংশ আরও শুষ্ক করে দিতে পারে।
২. ময়েশ্চারাইজার বাদ দেবেন না
ত্বক তৈলাক্ত মনে হলেও ময়েশ্চারাইজার প্রয়োজন। হালকা, নন-কমেডোজেনিক ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন। প্রয়োজন হলে শুষ্ক অংশে একটু বেশি এবং তৈলাক্ত অংশে পাতলা করে ব্যবহার করা যায়।
৩. সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন
দিনের বেলায় SPF 30 বা তার বেশি ব্রড-স্পেকট্রাম সানস্ক্রিন ব্যবহার করা ভালো। বাইরে থাকলে পণ্যের নির্দেশনা অনুযায়ী পুনরায় লাগাতে হবে।
৪. অতিরিক্ত স্ক্রাব এড়িয়ে চলুন
বারবার স্ক্রাব করলে ত্বকে জ্বালা, শুষ্কতা বা সংবেদনশীলতা বাড়তে পারে। ত্বকের প্রয়োজন অনুযায়ী মৃদু এক্সফোলিয়েশন করা যেতে পারে।
৫. ব্রণ হলে ত্বক বুঝে উপাদান বেছে নিন
T-zone-এ অতিরিক্ত তেল বা ব্রণ থাকলে স্যালিসাইলিক অ্যাসিডযুক্ত পণ্য কিছু মানুষের ক্ষেত্রে উপকারী হতে পারে। তবে প্রথমে অল্প জায়গায় ব্যবহার করে ত্বকের প্রতিক্রিয়া দেখা ভালো।
৬. একসঙ্গে অনেক নতুন পণ্য ব্যবহার করবেন না
নতুন স্কিনকেয়ার পণ্য একবারে অনেকগুলো যোগ না করে ধীরে ধীরে ব্যবহার শুরু করুন। এতে কোনো পণ্যে সমস্যা হলে কারণ শনাক্ত করা সহজ হয়।
৭. ত্বকের পরিবর্তন খেয়াল করুন
আবহাওয়া, বয়স, হরমোন ও জীবনযাত্রার কারণে মিশ্র ত্বকের তৈলাক্ততা বা শুষ্কতা পরিবর্তিত হতে পারে। তাই ত্বকের বর্তমান অবস্থার সঙ্গে মিলিয়ে রুটিন সামঞ্জস্য করুন।
সহজ রুটিন:
সকাল—ক্লিনজার → ময়েশ্চারাইজার → সানস্ক্রিন। রাত—ক্লিনজার → প্রয়োজনীয় ট্রিটমেন্ট → ময়েশ্চারাইজার
নতুন কোনো পণ্য ব্যবহারের পর তীব্র জ্বালা, ফুসকুড়ি বা অ্যালার্জির মতো প্রতিক্রিয়া হলে ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।





