বারবার পাইলস ফিরে আসার প্রধান কারণ
পাইলসের চিকিৎসা করালে অনেক স্বস্তি পাওয়া যায়। রক্তপাত বন্ধ হয়ে যায়, মলত্যাগ সহজ হয় এবং অস্বস্তিও অবশেষে কমে আসে। তাই কয়েক মাস পর যখন একই উপসর্গগুলো আবার দেখা দেয়, তখন প্রথম প্রশ্নটি হয়- পাইলস কীভাবে ফিরে এলো?
এর উত্তর সবসময় এমন নয় যে আগের চিকিৎসা ব্যর্থ হয়েছিল। এই রোগ ফিরে আসার বেশ কয়েকটি কারণ থাকতে পারে। চিকিৎসার পরেও কোষ্ঠকাঠিন্য, মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ দেওয়া এবং শৌচাগারের অভ্যাসগুলো ওই স্থানে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে উপসর্গগুলো মলদ্বারের অন্য কোনো সমস্যার কারণেও হতে পারে। জেনে নিন পাইলস ফিরে আসার ৫টি সম্ভাব্য কারণ-
আরও পড়ুন: যেভাবে মিশ্র ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
কোষ্ঠকাঠিন্য ও শক্ত মল
শক্ত মল বের করতে অতিরিক্ত চাপ দিলে মলদ্বারের শিরায় চাপ বাড়ে। দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য পাইলস পুনরায় হওয়ার বড় কারণ।
আরও পড়ুন: মানুষ কেন অপমানের স্মৃতি বেশি মনে রাখে?
মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ দেওয়া
টয়লেটে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা বা জোর করে মলত্যাগের চেষ্টা করলেও মলদ্বারে চাপ বাড়তে পারে।
খাদ্যাভ্যাসে আঁশের ঘাটতি
শাকসবজি, ফল, ডাল ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার কম খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়তে পারে।
পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া
শরীরে পানির ঘাটতি হলে মল শক্ত হয়ে যেতে পারে, ফলে মলত্যাগে চাপ বাড়ে।
দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা
দীর্ঘ সময় বসে থাকা এবং নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম না করাও কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা বাড়াতে পারে।
অতিরিক্ত ওজন ও গর্ভাবস্থা
পেটের ভেতর চাপ বাড়লে মলদ্বারের শিরায় চাপ পড়ে পাইলসের উপসর্গ পুনরায় দেখা দিতে পারে।
আগের চিকিৎসার পরও মূল সমস্যা থেকে যাওয়া
শুধু উপসর্গ কমানো নয়, কোষ্ঠকাঠিন্য বা মলত্যাগের অভ্যাসের মতো মূল কারণ নিয়ন্ত্রণ না করলে সমস্যা আবার হতে পারে।
কখন চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি?
বারবার মলদ্বার দিয়ে রক্তপাত, তীব্র ব্যথা, মলদ্বারের বাইরে গুটি বেরিয়ে আসা, কালো পায়খানা বা অস্বাভাবিক ওজন কমার মতো উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। মলদ্বার দিয়ে রক্তপাতকে সবসময় শুধু পাইলস ধরে নেওয়া ঠিক নয়।





