সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে ১৭টি মানিলন্ডারিং মামলার অভিযোগপত্র দাখিল শিগগিরই
বিদেশি বাণিজ্যের আড়ালে ৯৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচারের অভিযোগে বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান ও তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ১৭টি মানিলন্ডারিং মামলার তদন্ত শেষ করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। শিগগিরই এসব মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হবে।
রোববার (৯ নভেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান।
আরও পড়ুন: ১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, না থাকলে মিলবে না নিবন্ধন ও ফিটনেস সনদ
তিনি জানান, তদন্তে দেখা গেছে, বিদেশি বাণিজ্যের নামে একাধিক ভুয়া এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খোলা হয়েছিল। এসব এলসির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা বিদেশে পাচার করা হয়।
জসীম উদ্দিন খান বলেন, “মামলাগুলোর তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। খুব দ্রুতই অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হবে। প্রাথমিক তদন্তে সালমান এফ রহমানসহ কয়েকজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিলেছে।”
আরও পড়ুন: বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরাতে প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে, ইউএইর সঙ্গে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া এগোচ্ছে
সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, মোট ১৭টি মামলায় প্রাথমিকভাবে ৯৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচারের তথ্য পাওয়া গেছে। বিদেশে অর্থ পাঠানো হয়েছে ব্যাংক চ্যানেল, ওভার ইনভয়েসিং এবং ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে।
এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আজ বিকেলে সিআইডির সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হবে বলে নিশ্চিত করেছেন বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান।





