সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে সাত দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৫:৩৫ অপরাহ্ন, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ১:৪৯ অপরাহ্ন, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার পরিদর্শক মুনিরুজ্জামান ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে এ রিমান্ড আবেদন করেন। রিমান্ড আবেদনের বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে উত্তরা পশ্চিম থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখা।

আরও পড়ুন: ভাষা, আত্মত্যাগ আর বাঙালির চিরন্তন চেতনার মাস ফেব্রুয়ারি

এর আগে, রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডি ২ নম্বর এলাকার একটি জিম থেকে বের হওয়ার সময় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে হেফাজতে নেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

ওই রাতেই জুলাই রেভ্যুলেশনারি এলায়েন্সের কেন্দ্রীয় সংগঠক আরিয়ান আহমেদ উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীর ছাড়াও অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, মডেল মারিয়া কিসপট্টা এবং উপস্থাপক ইমতু রাতিশ ইমতিয়াজকে আসামি করা হয়।

আরও পড়ুন: ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ২ টাকা কমলো জ্বালানি তেলের দাম

মামলার এজাহারে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করেন। এরপর তার অনুসারীরা দেশের ভেতরে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, আসামিরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন টকশোতে নিষিদ্ধ সংগঠনকে পুনর্বাসনের উদ্দেশ্যে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে আসছেন। রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফেসবুকে দেওয়া কিছু পোস্টের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করা হচ্ছে—এমন অভিযোগও মামলায় আনা হয়।

গ্রেপ্তারের বিষয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, উত্তরা পশ্চিম থানার মামলায় ডিবি হেফাজতে থাকা সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তা তাকে আদালতে সোপর্দ করবেন।

উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মোহাম্মদ রফিক আহমেদ বলেন, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি করা হয়েছে এবং আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে।

উল্লেখ্য, সাংবাদিক আনিস আলমগীর দৈনিক আজকের কাগজসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে টেলিভিশনের টকশোতে নানা বক্তব্যের কারণে তিনি আলোচনায় ছিলেন।