‘উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই, তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে’

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৬:০৫ অপরাহ্ন, ৩০ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ২:৪৬ অপরাহ্ন, ০২ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

দেশে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে তেলের পর্যাপ্ত মজুত থাকার আশ্বাস দিয়েছে সরকার। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই এবং কৃষিখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে।

সোমবার (৩০ মার্চ) সচিবালয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য জানান।

আরও পড়ুন: এরদোগানকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর

যুগ্মসচিব বলেন, দেশে বর্তমানে পর্যাপ্ত পরিমাণ ডিজেল মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বহুমুখী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষি উৎপাদন ব্যাহত না হয়, সে লক্ষ্যে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও ইউএনওদের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডিজেল পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, রাশিয়া থেকে দুই মাসের জন্য ৬ লাখ টন ডিজেল আমদানির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞাজনিত জটিলতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের কাছেও অনুমতি চাওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: অবর্ণনীয় দুর্ভোগে ঢাকায় ফিরছে কর্মজীবী মানুষ

এছাড়া ইতোমধ্যে ভারত থেকে ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হয়েছে এবং দেশটির সঙ্গে বিদ্যমান চুক্তির আওতায় সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র থেকেও জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে তেল আমদানির বিষয়েও ইরানের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করে মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের পতাকাবাহী নয় এমন জাহাজ ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা দেখা দিতে পারে।

বর্তমান মজুত পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশে এখন ১ লাখ ৩৩ হাজার টন ডিজেল মজুত রয়েছে। এর সঙ্গে ৩০ মার্চ ও ৩ এপ্রিল আরও ৫৪ হাজার ৬০০ টন তেল আসার কথা রয়েছে। এছাড়া এপ্রিল মাসেই মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আরও ১ লাখ ৫৪ হাজার টন তেল আমদানি হবে।

সরকার সরবরাহ ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল রাখতে এবং সম্ভাব্য সংকট এড়াতে সাশ্রয়ী ব্যবহারের ওপরও জোর দিচ্ছে বলে জানান তিনি।