সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রেড টেলিফোনের তার চুরি: চোরাই মালামাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৫:২৮ অপরাহ্ন, ০৪ জুন ২০২৬ | আপডেট: ৫:২৮ অপরাহ্ন, ০৪ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর সচিবালয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রেড টেলিফোন সংযোগের তামার তার চুরির ঘটনায় চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার এবং দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন রঞ্জন চন্দ্র (২৬) ও রেজাকুল ইসলাম (৩২)।

আরও পড়ুন: আগামী ৫ বছরের মধ্যে কামরাঙ্গীরচর সুন্দর শহরে রূপান্তরিত হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক

সিটিটিসি জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত এ ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ঘটনার পর বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) শাহবাগ থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। পরে বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে সিটিটিসির সিটি ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস বিভাগ তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে।

তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সচিবালয়ের এক আউটসোর্সিং কর্মী রঞ্জন চন্দ্রকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি চুরির সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে সিটিটিসি।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গু প্রতিরোধে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে তিন মাসের বিশেষ অভিযান

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, গত ২২ মে সচিবালয়ের ৩ নম্বর ভবন থেকে তামার তার চুরি করে পরে ১ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার একটি ভাঙারি দোকানে প্রায় ৮ কেজি ২০০ গ্রাম তামার তার বিক্রি করেন।

তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে হল সংলগ্ন একটি ভাঙারি দোকান থেকে রেজাকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে চকবাজারের হোসেনী দালান রোড এলাকায় একটি ভাঙারি গুদামে অভিযান পরিচালনা করে চুরি হওয়া তামার তার উদ্ধার করা হয়।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সচিবালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ অবকাঠামোর তার চুরির ঘটনায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত থাকতে পারে। এ চক্রের অন্যান্য সদস্য এবং মূল পরিকল্পনাকারীদের শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।