৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, ক্যাডার ও নন-ক্যাডারে সুপারিশ পেলেন ১,৫২১ জন
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ৪৭তম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। রোববার (২৮ জুন) পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এ ফলাফলে বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৩২০ জন এবং নন-ক্যাডার পদে ২০১ জনসহ মোট ১ হাজার ৫২১ জন প্রার্থীকে চূড়ান্ত নিয়োগের জন্য সাময়িকভাবে সুপারিশ করা হয়েছে।
পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার সব ধাপ শেষ করে এ ফল প্রকাশ করা হলো। এর আগে ৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছিল, যেখানে ৩ হাজার ৬৩১ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। পরবর্তী সময়ে মে মাস থেকে তাদের মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়। দীর্ঘ এই প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করায় প্রার্থীদের মধ্যে স্বস্তি ও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।
আরও পড়ুন: দরিদ্র মানুষের জন্য এক লাখ সাশ্রয়ী ফ্ল্যাট নির্মাণ করবে সরকার
প্রকাশিত ফলাফলে ক্যাডার ও নন-ক্যাডার—উভয় ক্ষেত্রেই নিয়োগের জন্য প্রার্থীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রশাসন, পুলিশ, পররাষ্ট্র, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের জন্য নির্বাচিতদের তালিকা পিএসসির ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিসিএসের মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চূড়ান্ত ফল প্রকাশ শুধু প্রার্থীদের জন্যই নয়, সরকারি প্রশাসনে নতুন জনবল যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ।
পিএসসি জানিয়েছে, চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের পরবর্তী প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। নিয়োগসংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পরই তারা নির্ধারিত ক্যাডার ও পদে যোগদানের সুযোগ পাবেন।
আরও পড়ুন: বিরোধীদলীয় এমপিদের এলাকায় ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দ
৪৭তম বিসিএসের ফল প্রকাশকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রার্থীদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই দীর্ঘ প্রস্তুতি, লিখিত পরীক্ষা ও মৌখিক পরীক্ষার কঠিন ধাপ পেরিয়ে চূড়ান্ত সাফল্য পাওয়ায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে যারা তালিকায় স্থান পাননি, তাদের অনেকেই পরবর্তী বিসিএসের প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
পিএসসির এই ফল প্রকাশের মাধ্যমে দেশের প্রশাসনিক কাঠামোতে নতুন মুখ যুক্ত হওয়ার পথ খুলে গেল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দীর্ঘ প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ হওয়ায় এখন নিয়োগপ্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপ দ্রুত সম্পন্ন হওয়ার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।





