হাম ও ডেঙ্গু সংক্রমণ একসঙ্গে বাড়তে থাকায় চাপে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৩২ পূর্বাহ্ন, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

আজ রোববার- ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকার খবরে গুরুত্ব পেয়েছে ১১ দলীয় জোটের লং মার্চের খবর। এর বাইরে গুরুত্ব পেয়েছে দেশের স্বাস্থ্য পরিস্থিতিতে আবারও হাম ও ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার সংবাদ।

বাংলাদেশে একই সময়ে হাম ও ডেঙ্গুর ভয়াবহ সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতীয় জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার আহ্বান জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: চিনিকল চালু ও পণ্য বহুমুখীকরণের তাগিদ বিএসএফআইসি সেমিনারে

আগস্টে দেশে হামের পরীক্ষায় আক্রান্তের হার এযাবৎকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে চলতি বছরের সবচেয়ে ভয়াবহ ডেঙ্গু পরিস্থিতি। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রায় ৮ হাজার হাম ও ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বছরের শুরু থেকেই জেলা হাসপাতাল ও সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে গড়ে ১৬০ শতাংশের বেশি বেড দখল হয়ে আছে। অর্থাৎ অনেক হাসপাতাল তাদের নির্ধারিত সক্ষমতার দেড় গুণেরও বেশি রোগী সামলাচ্ছে।

আরও পড়ুন: বাড্ডায় ফার্নিচারের গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৪ ইউনিট

এর ফলে নতুন করে হাম ও ডেঙ্গু রোগীর চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা অবকাঠামো ও প্রয়োজনীয় সক্ষমতার ঘাটতি পরিস্থিতিকে আরও সংকটপূর্ণ করে তুলেছে।

সংক্ষেপে: হাম ও ডেঙ্গুর দ্বৈত প্রাদুর্ভাবের কারণে বাংলাদেশের হাসপাতালগুলো ধারণক্ষমতার বাইরে রোগী সামলাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দ্রুত সমন্বিত পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত দেশে সরকারি চাকরিতে কর্মরত ছিলেন ১৪ লাখ ৬৪ হাজার ৩৫০ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৬৩১ জন প্রাথমিক শিক্ষা খাতে কর্মরত।

সরকারের ১৪ লাখ ৬৪ হাজারের বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারীর অর্ধেকের বেশি নিয়োজিত পাঁচটি খাতে। প্রাথমিক শিক্ষা, পুলিশ, স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা ও রেল, নাগরিকের গড়ে ওঠা, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনা ও যোগাযোগ সেবার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত এসব খাতে কর্মরত সরকারি জনবলের সংখ্যা প্রায় ৭ লাখ ৬০ হাজার।

কিন্তু বেশি জনবল কর্মরত থাকলেও এ পাঁচ খাতই কাঠামোগত দুর্বলতা, ব্যবস্থাপনায় অদক্ষতা ও সেবা প্রদানে বিভিন্নমুখী ঘাটতিতে জর্জরিত। বিপুল জনবল ও অর্থ ব্যয়ের বিপরীতে নাগরিক সেবায় প্রত্যাশিত দক্ষতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত না হওয়ায় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে এসব বিভাগ কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বিশ্লেষক ও সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে।

গত ৫০ বছরে যমুনা, গঙ্গা ও পদ্মা নদীর ভাঙনে প্রায় ১,৫৮৫ বর্গকিলোমিটার জমি হারিয়েছে বাংলাদেশ। এই পরিমাণ জমি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মোট আয়তনের পাঁচ গুণেরও বেশি।

স্যাটেলাইট বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নদীতে বিলীন হওয়া জমির মধ্যে প্রায় ৪৩৩ বর্গকিলোমিটার চর জেগে উঠেছে। তারপরও দেশের নিট জমির ক্ষতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১,১৫৩ বর্গকিলোমিটার, যা পুরো ঢাকা শহরের প্রায় চার গুণ।

নদীভাঙনে বহু মানুষ বারবার বাড়িঘর ও কৃষিজমি হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হন। নতুন চর কিছু সময়ের জন্য আশ্রয় দিলেও তা স্থায়ী সমাধান হয় না। শেষ পর্যন্ত অনেকেই গ্রামীণ জীবন ছেড়ে ঢাকায় চলে আসেন।

শিক্ষা ও দক্ষতার অভাবে তাদের বড় একটি অংশ ঢাকার দিনমজুর, গৃহকর্মী ও রিকশাচালক হিসেবে জীবিকা শুরু করেন এবং বন্যাপ্রবণ বস্তিতে বসবাস করতে বাধ্য হন।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান সরকারকে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ১১ দলীয় জোটের ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন। তা না হলে সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

ফেনীতে ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের সমাবেশে শফিকুর রহমান বলেন, দেশে 'নতুন ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি' শোনা যাচ্ছে। পরে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে সমাপনী সমাবেশে তিনি অভিযোগ করেন, সরকার জনগণের অভিযোগ উপেক্ষা করে দেশে অস্থিতিশীলতার পরিস্থিতি তৈরি করছে।

জোটের ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই অভ্যুত্থানে নিহতদের বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস-সারের সংকট সমাধান, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ করে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলার উন্নতি এবং দলীয়করণ বন্ধ করা।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত লংমার্চটি শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়।

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে আবার উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের আলোচনা সামনে আসায় এলাকায় ক্ষোভ , প্রতিবাদ শুরু হয়েছে । প্রায় দুই দশক পর আবার সরকারের পক্ষ থেকে সেখান থেকে কয়লা তোলার পরিকল্পনার কথা বলায় উদ্বেগে এলাকাবাসী ।

২০০৬ সালের গণ - আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করে স্থানীয় বাসিন্দা ও রাজনৈতিক সংগঠন এই পরিকল্পনা থেকে সরকারকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছে । উন্মুক্ত পদ্ধতিতে ফুলবাড়ী কয়লাখনির পরিকল্পনা নিয়ে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী বক্তব্য দেন ।

তবে এ পরিকল্পনার সঙ্গে একমত নয় তেল - গ্যাস - খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ- বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটিসহ স্থানীয়রা । গতকাল শনিবার ফুলবাড়ীতে বিক্ষোভ মিছিলও করেছেন তাঁরা । তাঁদের আশঙ্কা , উন্মুক্ত খনি হলে ফসলি জমি , ঘরবাড়ি , প্রাণ , প্রকৃতি পরিবেশের বিপর্যয় ঘটবে এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাবে । এতে আশপাশের এলাকা মানুষের বসবাসের অযোগ্য হয়ে যাবে । উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের বিরোধিতা করে ফুলবাড়ীতে আন্দোলনের সময় ২০০৬ সালের ২৬ আগস্ট তিনজন নিহত এবং কয়েক শ মানুষ আহত হন ।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অনিয়ম-দুর্নীতি দেখভালের দায়িত্ব বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি)। অথচ সেই ইউজিসি'র আর্থিক হিসাবেই ধরা পড়েছে বড় ধরনের অনিয়ম। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিভিন্ন খাতে ইউজিসি'র বাজেট বরাদ্দ ছিল ৮৫ কোটি ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অথচ ব্যয় দেখানো হয়েছে ১১৩ কোটি ২৫ লাখ ৫৩ হাজার ৬৭১ টাকা। অর্থাৎ বরাদ্দের চেয়ে ২৮ কোটি ২৩ লাখ ৩ হাজার ৬৭১ টাকা বেশি ব্যয় দেখানো হয়েছে। সবমিলিয়ে ১৬৩ কোটি টাকার দুর্নীতি উঠে এসেছে শিক্ষা অডিট অধিদপ্তরের নিরীক্ষায়।

শুধু বরাদ্দের চেয়ে বেশি ব্যয় নয়। ইউজিসি'র ব্যাংক হিসাব পরিচালনা থেকে শুরু করে ঠিকাদারের বিল, বৃত্তির টাকা, অগ্রিম উত্তোলন, সম্মানী-ভাতা, ওভারটাইম, গাড়ি, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ বিল- বিভিন্ন খাতেই মিলেছে অনিয়মের চিত্র। কোথাও নিয়ম ভেঙে টাকা দেয়া হয়েছে। কোথাও কাজ শেষ না হলেও ঠিকাদারের বিল পরিশোধ করা হয়েছে। আবার যে টাকা খরচই হয়নি, সেটিও দেখানো হয়েছে ব্যয় হিসেবে।

গ্যাস সংকট কাটাতে টেন্ডার ছাড়া সমঝোতার মাধ্যমে আরেকটি ভাসমান মজুত ও রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) বসাতে চায়না ন্যাশনাল এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের (সিএনইই) প্রস্তাব নিয়ে বিপাকে পড়েছে জ্বালানি বিভাগ। বাংলাদেশের তীব্র গ্যাস সংকটের সুযোগে চীনের অপর একটি কোম্পানির চেয়ে ১২ হাজার কোটি টাকা বেশি দাবি করেছে সিএনইই। এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানি সামিটের চেয়ে দৈনিক ১ কোটি ১৪ লাখ টাকা (৯৩ হাজার ডলার) এবং এক্সিলারেট এনার্জির চেয়ে ১ কোটি ৮ লাখ টাকা (৮৮ হাজার ডলার) বেশি চার্জ দাবি করেছে সিএনইই। অথচ চীনের চায়না মার্চেন্ট ইন্ডাস্ট্রির (সিএমআই) সাশ্রয়ী প্রস্তাবে আগ্রহ দেখাচ্ছে না জ্বালানি বিভাগ। তাদের প্রস্তাব অনুযায়ী, দৈনিক ১ লাখ ডলার খরচে এ জোড়া জাহাজের ভাসমান টার্মিনাল রাখা যাবে। এর সঙ্গে বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ ডলার রক্ষণাবেক্ষণ ফি দিতে হবে। ১২ বছর পর ভাসমান টার্মিনালটি পেট্রোবাংলার হয়ে যাবে।

সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের পেনশনের তথ্য ব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি কোষাগার থেকে প্রায় ৬ কোটি ৬৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা আত্মসাতের তথ্য পেয়েছে তদন্ত কমিটি। ২৬ জন পেনশনভোগীর নামে ৩৪৬টি অনুমোদনহীন বকেয়া পেনশন বিল তৈরি করে এসব অর্থ তাঁদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, পেনশন কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের তথ্য সংগ্রহ করে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। অতিরিক্ত টাকা ব্যাংক হিসাবে পাঠানোর পর কমিশন রেখে বাকি অর্থ নির্দিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের হিসাবে ফেরত নেওয়া হতো। এক পেনশনভোগী এক বছরের বেশি সময়ে এভাবে প্রায় ৭২ লাখ টাকা পেয়েছেন, যদিও প্রকৃত পাওনা ছিল মাত্র দুই লাখ টাকার কিছু বেশি।

আইবাস প্লাস প্লাস ব্যবস্থার দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে এসব লেনদেন করা হয় এবং পরে ভুয়া ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেখানোর চেষ্টা করা হয়।

এ ঘটনায় সিসিডিএফ কার্যালয়ের সাবেক অডিট সুপার শাহীনুর রহমান খান ও ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট ফাইন্যান্স কন্ট্রোলার ইশরাত জাহানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ধারণা, পুরোনো লেনদেনও খতিয়ে দেখলে আরও বড় অঙ্কের জালিয়াতির তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে গত দুই বছরে ৪৫টি হত্যাকাণ্ডের তথ্য পাওয়া গেছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে চলতি বছরের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এসব হত্যাকাণ্ড ঘটে। এর মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসে ৩৮ জন এবং বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাসে ৭ জন নিহত হয়েছেন।

হত্যাকাণ্ডের বড় অংশই ঘটেছে রাজনৈতিক বিরোধ, পূর্বশত্রুতা, পারিবারিক কলহ, ধর্ষণের পর হত্যা ও গণপিটুনির ঘটনায়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও বেশিরভাগ মামলাই এখনো তদন্তাধীন।

গত দুই বছরে সীতাকুণ্ডে অপহরণের ২০টি মামলাও হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক ও আধিপত্যের দ্বন্দ্বই হত্যাকাণ্ডের অন্যতম বড় কারণ।

সরকারের রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধি দেখা গেলেও নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণে বড় ধরনের ঘাটতি রয়ে গেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সংশোধিত পাঁচ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে চার লাখ ৭৬ হাজার ২৪৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা। অর্থাৎ বছর শেষে লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৮১ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। ফলে এক অর্থবছরেই সরকারের রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় এক লাখ ১১ হাজার ৭৫২ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষণা বিভাগের গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত সরকারি রাজস্ব প্রাপ্তিসংক্রান্ত ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন, এপ্রিল-জুন ২০২৬ প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট রাজস্ব আদায় হয়েছিল চার লাখ ২২ হাজার ৬৩৩ কোটি ১০ লাখ টাকা। সে হিসাবে এক বছরে আদায় বেড়েছে ১২ দশমিক ৭ শতাংশ। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের দিক থেকে এ প্রবৃদ্ধি যথেষ্ট নয়।