মডেল মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন-খাদিমের সম্মানি নির্ধারণ

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১:৩৮ অপরাহ্ন, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১:৩৮ অপরাহ্ন, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

দেশের মডেল মসজিদগুলোতে কর্মরত ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদিম ও নিরাপত্তা প্রহরীদের সম্মানি ও বেতন-ভাতার কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন ‘মডেল মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, ২০২৬’-এ এসব পদের সম্মানি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে। গত ২৪ সেপ্টেম্বর ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ এনডিসি।

কে কত সম্মানি পাবেন

আরও পড়ুন: আদালতে পুলিশ সদস্য ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার

নীতিমালা অনুযায়ী, মডেল মসজিদে কর্মরত পেশ ইমামকে মাসে ২০ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিনকে ১৫ হাজার টাকা এবং খাদিমকে ১২ হাজার টাকা সম্মানি দেওয়া যেতে পারে। অন্যদিকে খতিব ও নিরাপত্তা প্রহরীর সম্মানি চুক্তির ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে।

তবে যেসব মডেল মসজিদের আর্থিক সক্ষমতা রয়েছে, সেসব মসজিদ কমিটি ‘মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, ২০২৫’ অনুযায়ী নির্ধারিত গ্রেডে সংশ্লিষ্টদের বেতন-ভাতা দিতে পারবে।

আরও পড়ুন: সাংবাদিকদের টার্গেট করে সাইবার আইন করতে চাই না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এ ক্ষেত্রে—

ইমাম: গ্রেড-১০

মুয়াজ্জিন: গ্রেড-১৬

খাদিম: গ্রেড-১৮

খতিব ও নিরাপত্তা প্রহরী: চুক্তিভিত্তিক

উৎসব ভাতার সুযোগ

নীতিমালায় মডেল মসজিদে কর্মরত জনবলের দায়িত্ব ও সুযোগ-সুবিধার বিষয়েও নির্দেশনা রয়েছে। খতিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মীদের মসজিদের আমানতদার হিসেবে দায়িত্ব পালনের কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে অনুচ্ছেদ ৭-এ উল্লেখিত জনবলকে উৎসব ভাতা দেওয়া যেতে পারে। এ ভাতার পরিমাণ হবে সংশ্লিষ্ট উৎসবের আগের মাসে পাওয়া সম্মানির সমপরিমাণ।

নতুন নীতিমালায় মডেল মসজিদভিত্তিক ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার জন্য সিটি, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কমিটি রাখার বিধান করা হয়েছে। মডেল মসজিদগুলোতে পবিত্র কুরআন শিক্ষা, বয়স্ক শিক্ষা, হিফযখানা এবং শিশুদের মক্তব শিক্ষার ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।

মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির দায়িত্বের মধ্যে জুমার নামাজ, প্রাক-খুতবা ও খুতবা, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার নামাজ এবং জানাজার নামাজের আয়োজন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া রমজান মাসে তারাবিহ নামাজের জন্য হাফেজ নিয়োগ এবং তাদের আবাসনের ব্যবস্থা করার কথাও নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।