নোয়াখালীতে প্রধান শিক্ষকের সাথে শিক্ষিকার ভিডিও ভাইরালে তোলপাড়
নোয়াখালীর হাতিয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক প্রধান শিক্ষক ও এক সহকারী শিক্ষিকার আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। জানা যায়, ভিডিও ফাঁস হওয়া প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান দুলাল দাবি করেছেন, সংশ্লিষ্ট সহকারী শিক্ষিকা তার দ্বিতীয় স্ত্রী। তবে এর পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ দিতে পারেননি।
এ ঘটনায় সোমবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে অভিভাবকদের চাপে গুল্যাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জাকিয়া বেগম ওই শিক্ষিকাকে বিদ্যালয়ে না আসার মৌখিক নির্দেশ দেন।
আরও পড়ুন: গাড়ি নেই, বৃষ্টিতে ভিজে অপেক্ষা—বাইপাইলে ঈদযাত্রায় নাকাল মানুষ
স্থানীয়দের অভিযোগ, শিক্ষকতা একটি মহান পেশা, অথচ এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে ভিডিও ধারণ করে তা ফাঁস করায় তারা শিক্ষকতার যোগ্যতা হারিয়েছেন। বিষয়টি পুরো শিক্ষক সমাজের জন্য লজ্জার।
প্রধান শিক্ষক দুলাল বলেন, “২০২১ সালে হাতিয়ার সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলীর লোকজন আমার মোবাইল, ল্যাপটপ, মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেয় এবং ভিডিওটি হাতিয়ে নেয়। এরপর একটি চক্র আমাকে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা দাবি করছে। এ বিষয়ে থানায় জিডি করেছি।”
আরও পড়ুন: কাশিয়ানীতে উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতারে সৌহার্দ্যের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
অপরদিকে, সহকারী শিক্ষিকা গুলশান আরা বেগমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। হাতিয়া উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান বলেন, “ভিডিও ফাঁসের বিষয়টি অবগত হয়েছি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
নোয়াখালী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ইসরাত নাসিমা হাবীব জানান, “বিষয়টি আমার নলেজে এসেছে। বুধবার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হবে।”





