প্রার্থীদের মনোনয়ন যাচাই-বাছাই সম্পন্ন, তিনজনের মনোনয়ন বাতিল

Sanchoy Biswas
অপূর্ব সরকার, পটুয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৪:৫৬ অপরাহ্ন, ০১ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৯:১৩ পূর্বাহ্ন, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালী জেলায় প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ যাচাই-বাছাই শেষে কাগজপত্রে ত্রুটি পাওয়ায় তিনজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রাথমিকভাবে বাতিল করা হয়েছে।

পটুয়াখালী জেলার চারটি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র পর্যায়ক্রমে যাচাই-বাছাই করা হয়। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরীর নেতৃত্বে এ কার্যক্রমে অংশ নেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাজেদুল ইসলাম সজল এবং জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ওহিদুজ্জামান মুন্সী। সংশ্লিষ্ট আসনের প্রার্থী, প্রস্তাবকারী ও সমর্থনকারীদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

আরও পড়ুন: হান্নান মাসউদের পথসভায় ইট নিক্ষেপ, আহত ২

যাচাই-বাছাইয়ে কাগজপত্রে ত্রুটি পাওয়ায় পটুয়াখালী-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন মঞ্জু, পটুয়াখালী-২ আসনে গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান এবং খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুহাম্মদ আইয়ুবের মনোনয়নপত্র প্রাথমিকভাবে বাতিল করা হয়েছে।

অন্যদিকে, পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত এক প্রার্থী বলেন, “এটি আমার জীবনে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আশা করি স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ আমার সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করবেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য না দিয়ে নির্বাচনী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।”

আরও পড়ুন: সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ২

তবে একই আসনের আরেক বিএনপি নেতা দাবি করেন, তিনি দলের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন। তিনি বলেন, “গত ৪৬ বছরে এই আসনে বিএনপির কোনো প্রার্থী বিজয়ী হননি। এবার আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে জয়ী হব।”

এদিকে যাচাই-বাছাইয়ে পটুয়াখালী-১ আসনে আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম, পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির মনোনীত গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং পটুয়াখালী-৪ আসনে এবিএম মোশাররফ হোসেনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে প্রমাণিত হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করতে পারবেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।