ব্রাহ্মণবাড়িয়া জিতু মেম্বার হত্যাকাণ্ড মামলায় ৪ অভিযুক্ত গ্রেপ্তার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের বহুল আলোচিত জিতু মেম্বার হত্যাকাণ্ড মামলায় ৪ অভিযুক্তকে ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) পার্শ্ববর্তী সরাইল উপজেলার বুধন্তী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
স্থানীয় ও র্যাব সূত্রে জানা যায়, নাসিরনগর উপজেলার ধরমণ্ডল গ্রামে পূর্বশত্রুতার জের ধরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষের লোকজন গত ১২ জানুয়ারি (সোমবার) রাতে সাবেক ইউপি সদস্য জিতু মিয়া (৫০)-কে বাজারে যাওয়ার পথে অটোস্ট্যান্ডের নিকট থেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আলমগীর মার্কেটের সামনে নিয়ে যায়। সেখানে আটক জিতু মেম্বারকে উপর্যুপরি নির্যাতন করা হলে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে অস্ত্রধারীরা তাকে রাস্তায় ফেলে সটকে পড়ে।
আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে এপেক্স ক্লাবস অব বাংলাদেশের র্যালি ও শ্রমিকদের মাঝে উপহার বিতরণ
পরে স্থানীয় লোকজন জিতু মেম্বারকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খুনের পরবর্তী সময়ে এলাকায় ব্যাপক পরিমাণ ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। এ ঘটনায় ২৩ জানুয়ারি নিহত জিতু মিয়ার ছেলে বাদী হয়ে নাসিরনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব তদন্ত ও গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় ৪ ফেব্রুয়ারি সরাইল উপজেলার বুধন্তী এলাকা থেকে মো. তাহের মিয়া (৫০), নসাই মিয়া (৫৫), নাসির মিয়া (২২) এবং মো. রাকিবুল ইসলাম ওরফে রাহিমুল ইসলাম (২৪)-কে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
আরও পড়ুন: নান্দাইলে অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় ২০২ হেক্টর বোরো ধান পানির নিচে
র্যাব-৯-এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের মধ্যে মো. তাহের মিয়া (৫০) ও নসাই মিয়া (৫৫) এজাহারভুক্ত আসামি এবং নাসির মিয়া (২২) ও মো. রাকিবুল ইসলাম ওরফে রাহিমুল ইসলাম (২৪) তদন্তে প্রাপ্ত পলাতক আসামি। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নাসিরনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।





