গাজীপুরে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবন মেলা, ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের সৃজনশীলতায় মুগ্ধ এমপি রনি

Sanchoy Biswas
বশির আহমেদ কাজল, গাজীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৭:১৭ অপরাহ্ন, ১৪ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১১:৫৩ অপরাহ্ন, ১৪ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

‘মেধা-বিজ্ঞান-উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গাজীপুরে জেলা পর্যায়ের ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে গাজীপুর মহানগরীর পিটিআই অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসন ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ উদ্যোগে এ মেলার আয়োজন করা হয়।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘এডুকেশন এক্সিলেন্স সাপোর্ট সিস্টেম’ ও আইইডিপির তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ মেলায় জেলার পাঁচটি উপজেলা থেকে বাছাইকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ও বিজ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন প্রজেক্ট প্রদর্শন করেন।

আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আধুনিক উপশহর গড়ার স্বপ্ন কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম. মঞ্জুরুল করিম রনি। তিনি শিক্ষার্থীদের প্রদর্শিত বিভিন্ন প্রজেক্ট ঘুরে দেখেন এবং উদ্ভাবনী চিন্তা ও কার্যকারিতা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এমপি রনি বলেন, শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত প্রতিটি প্রজেক্ট মানবকল্যাণের লক্ষ্য নিয়েই তৈরি হয়েছে, যা মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের এমন সৃজনশীল চিন্তার ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, এসব উদ্ভাবন কীভাবে জাতীয় পর্যায়ে কাজে লাগানো যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

আরও পড়ুন: শেরপুরে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মিলন মেলা ও র‍্যালি

গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. নুরুল করিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এম. রকিবুল হাসান, গাজীপুর প্রেসক্লাবের তত্ত্বাবধায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য দেলোয়ার হোসেন, কাপাসিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ডা. তামান্না তাসনীম, সরকারি রানী বিলাসমণি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরফ উদ্দিন এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আল মামুন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাত হোসেন, কালীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এ টি এম কামরুল ইসলাম, কালিয়াকৈর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ফখরুল হোসাইনসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, এখানে প্রদর্শিত প্রতিটি প্রজেক্ট নিয়েই আলাদা বড় মেলার আয়োজন করা সম্ভব। পৃথিবীর অনেক বড় প্রতিষ্ঠানই একটি ছোট উদ্ভাবনী আইডিয়া থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। মানুষের সময় বাঁচানো এবং জীবনযাত্রাকে সহজ করাই উদ্ভাবনের মূল উদ্দেশ্য।

মেলা শেষে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এতে যৌথভাবে প্রথম স্থান অর্জন করে কাপাসিয়া উপজেলার ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় এবং কালীগঞ্জের খৈকড়া উচ্চ বিদ্যালয়। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে কালিয়াকৈরের আফাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল স্কুল এবং তৃতীয় হয় শ্রীপুরের স্বপ্নছোঁয়া উচ্চ বিদ্যালয়।