তাড়াইলে পুলিশের অভিযানে ৪ চিহ্নিত অপরাধী গ্রেফতার
তাড়াইল থানার পুলিশ গতকাল শনিবার (২০ জুন) রাত ১১টায় দুর্দান্ত এক অভিযান চালিয়ে ২৭ মামলার এক আসামি আল আমিনসহ মোট ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে।
তাড়াইল থানা সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ গোপন সংবাদ পায় যে, উপজেলার ধলা ইউনিয়নের ভেইয়ারকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিছনের পুকুরপাড়ে একদল চিহ্নিত অপরাধী সংঘবদ্ধ হয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং মাদক পাচার নিয়ে মিটিং করছে। সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তাড়াইল থানার সাব-ইন্সপেক্টর একে এম মোশাররফ হোসেন ও এএসআই রফিকুল ইসলাম-এর নেতৃত্বে ৭/৮ জনের একটি চৌকস পুলিশ দল ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে।
আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিপুল ব্যবধানে ধানের শীষের জয়
এ সময় ৪ জনকে দেশীয় অস্ত্র (ছুরি, কিরিচ)সহ গ্রেফতার করা হয়। তবে আরও ২ জন অপরাধী রাসেল (২৫), ভেইয়ারকোনা এবং রাজ্জাক (৪১), সেকান্দরনগর পালিয়ে যায়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো—
আরও পড়ুন: পাবনায় বজ্রপাতে ৬ জনের মৃত্যু, আহত ২
(১) ২৭ মামলার চিহ্নিত অপরাধী আল আমিন (৪২), পিতা: মৃত আ: রশিদ, গ্রাম: ভেইয়ারকোনা
(২) ৬ মামলার আসামি নাজু মিয়া (৪৬), পিতা: আ: রাজ্জাক, গ্রাম: দক্ষিণ ধলা
(৩) ২ মামলার আসামি পাপন হোসেন, পিতা: আ: হাকিম মেম্বার, গ্রাম: ধলা
(৪) মামলার আসামি লুৎফর রহমান (৩৮), পিতা: মো. মজিবুর রহমান, গ্রাম: ভেইয়ারকোনা
সাব-ইন্সপেক্টর একে এম মোশাররফ হোসেন বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামিরা এলাকায় বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত এবং মাদক, জুয়া, চুরি, ছিনতাইসহ নানা অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিল। তারা এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করেছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
তাড়াইল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বলেন, এলাকাটি কিশোরগঞ্জের তাড়াইল ও নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী হওয়ায় অপরাধীরা অপরাধ করে দ্রুত পালিয়ে গিয়ে আত্মগোপন করে। তবে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করেছে।
তিনি আরও বলেন, “তাড়াইল উপজেলায় কোনো অপরাধীর ঠাঁই হবে না। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”





