কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ফিজিওথেরাপিস্টের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা এম-ট্যাবের

Sadek Ali
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৫:৫০ অপরাহ্ন, ৩০ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১২:২৩ পূর্বাহ্ন, ০১ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে কর্তব্যরত ফিজিওথেরাপিস্ট মো. সৌরভ হোসেনের ওপর সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এম-ট্যাব) কেন্দ্রীয় সংসদ।

রোববার (৩০ জুন) সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি এ কে এম মুসা লিটন এবং মহাসচিব    বিপ্লবুজ্জামান বিপ্লব স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের ওপর এ ধরনের হামলা শুধু একজন পেশাজীবীর ওপর আঘাত নয়, বরং দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর একটি গুরুতর হুমকি।

আরও পড়ুন: সঞ্জীব ভট্টাচার্য্যের শাশুড়ি মিতা চৌধুরী আর নেই

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সরকারি দায়িত্ব পালন শেষে বাড়ি ফেরার পথে কুষ্টিয়া শহরের পৌর অফিস সংলগ্ন এলাকায় সন্ত্রাসীরা ফিজিওথেরাপিস্ট মো. সৌরভ হোসেনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং দ্রুত তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এম-ট্যাব নেতৃবৃন্দ বলেন, চিকিৎসক, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, ফিজিওথেরাপিস্ট, নার্সসহ সকল স্বাস্থ্যকর্মী প্রতিনিয়ত মানুষের জীবন রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের ওপর ধারাবাহিক হামলার ঘটনা অব্যাহত থাকলে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জনসাধারণও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আরও পড়ুন: কর্ণফুলীতে মাছ ধরার জাহাজে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৬

সংগঠনের পক্ষ থেকে অবিলম্বে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে দেশের সকল হাসপাতাল ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা না হলে স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তার স্বার্থে সারাদেশে কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।

এম-ট্যাবের মতে, একটি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত হলেই স্বাস্থ্যসেবা আরও কার্যকর, নিরবচ্ছিন্ন ও জনবান্ধব হবে। তাই চিকিৎসাসেবার স্বার্থে স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ সময়ের দাবি।