বারহাট্টায় ফেইসবুকে ভিডিও দিয়ে চাঁদাবাজি, অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ
নেত্রকোনার বারহাট্টায় একটি শক্তিশালী চাঁদাবাজ চক্র গড়ে উঠেছে।এই চক্রটির চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ,কৃষক,শ্রমিক,শিক্ষক থেকে শুরু করে সরকারি চাকরিজীবীরা। নামসর্বস্ব অনলাইন পোর্টাল এবং নিজের ফেইসবুক আইডি নিয়ে জাকিরুল ইসলাম নামের এক তরুণ এই চক্রের নেতৃত্বে রয়েছে বলে দাবী ভুক্তভোগীদের।উপজেলার আসমা ইউনিয়নের মনাষ গ্রামের মৃত নুর ইসলামের ছেলে এই জাকিরুল ইসলাম।এলাকার কোন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হলেই সেখানে গিয়ে হানা দেয় এই চক্রের মূল হোতা জাকিরুল ইসলাম।
উন্নয়ন প্রকল্পে নানা অনিয়ম হয়েছে মর্মে ভিডিও করে সে।একপর্যায়ে সেই ভিডিও তার নিজের ফেইসবুকে প্রচার করে।সংশ্লিষ্ট টিকাদার বা দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা তার সাথে যোগাযোগ করলে তাদরকে গোপন স্থানে ঢেকে নিয়ে মন মত আর্থিক সুবিধা আদায় করা হয়।আর্থিক সুবিধা মন মত হলে ভিডিও ডিলেট করা হয়।তবে আর্থিক সুবিধা মন মত না হলে নেত্রকোনা থেকে আরো কয়েক ব্যক্তিকে ডেকে আনে সে।তারপর পর্যায় ক্রমে তারা চালাতে থাকে চাঁদাবাজি।
আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় সাড়ে তিন বছরের শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় চক্রের মূল হোতা জাকিরুল ইসলামকে গত ৬ জুলাই উত্তেজিত জনতা বারহাট্টা উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে আটক করে।এক পর্যায়ে উত্তেজনা জনতা থাকে উত্তম মধ্যম দিতে চাইলে এক টিকাদার থাকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান জাকিরুল নামের ছেলেটা সামাজিকতা নষ্ট করছে। সে বিভিন্ন স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসায় গিয়ে চাঁদাবাজি করে।অফিস আদালতে গিয়ে চাঁদাবাজি করে।তার সীমাহীন চাঁদাবাজিতে আটকে যাচ্ছে বারহাট্টার উন্নয়ন প্রকল্প। বারহাট্টার সচেতন মহল এই চাঁদাবাজ ও তার চক্রে থাকা অন্য সদস্যদের সঠিক বিচার চায়।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে ৭ শিক্ষার্থীর মৃত্যু
বারহাট্টা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আক্কাস আলী জানান কোন সরকারি প্রকল্পের কাজ শতভাগ সঠিক বাস্তবায়ন হোক এটা আমরাও চাই।২০২৫-২৬ অর্ধবছরে নেত্রকোনা জেলায় সবচেয়ে ভালো কাজ হয়েছে আমাদের বারহাট্টায়।তবু জাকিরুল সহ এক দুইজন ছেলে এসব জায়গায় গিয়ে ভিডিও করে নানান ভাবে অনৈতিক সুবিধা নিতে চাইছে।আমরা এমন অপচেষ্টার বিচার চাই।
বারহাট্টা উপজেলা প্রকৌশলী কাজী বাতেন জানান বারহাট্টায় এক দুইজনের একটা চাঁদাবাজ টিম গড়ে উঠেছে।যারা নেতৃত্বে রয়েছে জাকিরুল ইসলাম নামের এক ছেলে।এরা কাজের ইস্টিমিট না বুঝে অহেতুক ভিডিও করে। এগুলো বন্ধ না হলে কাজ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।অনিয়ম হলে সাংবাদিক নিউজ করবে এতে কোন সমস্যা নাই।কিন্তুু অনৈতিক সুবিধার জন্য যদি কেউ এমনটা করে তাহলে বিষয়টা খুবই বিব্রতকর।





