নরসিংদীতে ব্যবসায়ীকে কানে কামড়ের অভিযোগ, বিএনপি নেতাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৭:১৫ অপরাহ্ন, ১৫ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ৫:২৭ পূর্বাহ্ন, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

নরসিংদীর পলাশে এক বালু ব্যবসায়ীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে মারধর এবং কানে কামড় দিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগে বিএনপির এক নেতাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী সাখাওয়াত হোসেন মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে পলাশ থানায় অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন।

ঘটনাটি ঘটে সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে ঘোড়াশাল পৌর এলাকার বাংলাদেশ জুটমিলের সামনে। অভিযুক্ত মহিউদ্দিন চিশতিয়া ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আরও পড়ুন: কুবিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ছাত্রদলের স্মারকলিপি

আহত সাখাওয়াত হোসেন গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার ফিরোজ আলীর ছেলে। বর্তমানে তিনি পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানান, তার কানে চারটি সেলাই লেগেছে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, বাংলাদেশ জুটমিলের অভ্যন্তরে টিকে গ্রুপের নির্মাণাধীন একটি প্রতিষ্ঠানের বালু ভরাট প্রকল্পে ব্যবহারের জন্য তিনি শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে ড্রেজার মেশিন স্থাপন করেছিলেন। সোমবার বিকেলে শ্রমিকদের বেতন দিয়ে ফেরার পথে মোটরসাইকেলে আসা চার ব্যক্তি তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে মহিউদ্দিন চিশতিয়ার বাড়িতে নিয়ে যান।

আরও পড়ুন: চকরিয়ায় বিপুল পরিমাণ অস্ত্র-গুলি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৬

সাখাওয়াত হোসেনের দাবি, সেখানে প্রায় এক ঘণ্টা আটকে রেখে মহিউদ্দিন চিশতিয়াসহ কয়েকজন তাকে মারধর করেন। একপর্যায়ে অভিযুক্ত নেতা কেন তাকে না জানিয়ে ড্রেজার মেশিন বসানো হয়েছে—এ বিষয়ে প্রশ্ন তুলে তার কানে কামড় দেন। পরে দ্রুত ড্রেজার মেশিন সরিয়ে এলাকা ছেড়ে যাওয়ার হুমকি দিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। স্থানীয়দের সহায়তায় তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসা নেন।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মহিউদ্দিন চিশতিয়ার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল-মামুন জানান, এ ঘটনায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে অপহরণ ও চাঁদাবাজির মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।